


সন্দীপন দত্ত, মালদহ: নেতৃত্বের মুখের কথায় বিশ্বাস নেই! শনিবার ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদির সভায় হাজিরার টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে মালদহের দুই সাংগঠনিক জেলায়। সংখ্যা পূরণ হল কি না, তা নিয়ে নজরদারি চালাবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
ব্রিগেডে কত কর্মী, সমর্থক নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তার সঠিক হিসেব পেতে এবার ব্যবহার করা হবে ড্রোন। অতীতে দেখা গিয়েছে, জেলা নেতৃত্ব মুখে বললেও সভাস্থল ভরে না। তাই এবার অন্য ভাবনা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের।
বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, মোদিজি ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ডাক দিয়েছেন। এটা তারই অঙ্গ। এআই প্রযুক্তিযুক্ত ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করে আসল তথ্য জানা যাবে। বিষয়টি অভিনব হলেও গেরুয়া নেতাদের একাংশ মেনে নিতে পারছেন না। দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার এক তরুণ নেতার কথায়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের যখন আমাদের কথায় কোনো ভরসাই নেই, তাহলে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন। দলের এক জেলাস্তরের নেতার মন্তব্য, বিষয়টি আধুনিক হলেও অত্যন্ত অপমানজনক। ঠিক হজম হচ্ছে না। বিজেপি সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ থেকে প্রায় এক লক্ষ কর্মী, সমর্থককে ব্রিগেডে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যার মধ্যে মালদহের দুই সাংগঠনিক জেলা থেকে নিয়ে যাওয়া হবে প্রায় ১৪ হাজার লোক। এর জন্য উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলাকে দু’টি এবং দক্ষিণ মালদহের জন্য তিনটি ট্রেন রিজার্ভ করা হয়েছে। বিজেপি সূত্রে খবর,ট্রেন ছাড়ার আগে মালদহ টাউন, গাজোল, হরিশ্চন্দ্রপুর ও ফরাক্কা স্টেশনে ড্রোন উড়িয়ে এআই ক্যামেরা ব্যবহার করে বিজেপি কর্মীদের ছবি তোলা হবে। এর জন্য বিজেপির দিল্লির সদর দপ্তর থেকে আইটি সেলের টিম এসেছে। তারাই এই ড্রোনে নজরদারির কাজ করবে। পরদিন সকালে ঠিক একইভাবে ট্রেনগুলি যখন হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছবে, একইভাবে ছবি তোলা হবে। তারপর এআই ব্যবহার করে বের করা হবে কর্মীদের উপস্থিতির সঠিক সংখ্যা।