বিশেষ সংবাদদাতা, ইম্ফল: চলতি গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে দিশাহারা মণিপুরের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। রবিবার নতুন করে হিংসার ঘটনার না ঘটলেও পরিস্থিতি থমথমে। এর মধ্যেই বীরেন সিং সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করল এনপিপি। হিংসা বন্ধে সরকারের ব্যর্থতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। মণিপুর বিধানসভায় মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কোনার্ড সাংমার দলের সাতজন বিধায়ক আছেন। এর আগে কুকি পিপলস ফ্রন্ট বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বেরিয়ে এসেছিল। যাদের বিধানসভায় দু’জন বিধায়ক আছেন। এনপিপি সিদ্ধান্তে সরকার না পড়লেও তা গেরুয়া শিবিরকে আরও কোণঠাসা করে দিল বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। উল্লেখ্য, ৬০ আসনের মণিপুর বিধানসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে বিজেপির। এদিকে, এখনও হিংসার আগুন নেভেনি মণিপুরে। কান পাতলে চারদিকে শুধু হাহাকার। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে শহর থেকে গ্রাম। ক্ষোভে ফুঁসছে মানুষ। রবিবার নতুন করে হিংসার ঘটনা না ঘটলেও পরিস্থিতি থমথমে। ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম বা বিষ্ণুপুর— প্রতি জেলায় ছবিটা প্রায় এক। ইম্ফলে চলছে কার্ফু। একাধিক জেলায় বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। মন্ত্রী এবং বিধায়ক সহ নেতাদের সম্পত্তি হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার
Advertisement
অভিযোগে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। হিংসা বন্ধের জন্য মেইতেই সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারকে। সশস্ত্র কুকিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি তুলেছেন মেইতেই নাগরিক সমাজ।
সরকারের উপরে চাপ বাড়িয়েছে কুকি-জো গোষ্ঠীও। কয়েকদিন আগে জিরিবামে সিআরপিএফের সঙ্গে সংঘর্ষে এই গোষ্ঠীর ১০ যুবকের মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দেহ। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিহত যুবকদের শেষকৃত্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কুকি গোষ্ঠীর সংগঠন আইটিএলএফ। এদিন এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকারের উপরে চাপ বাড়িয়েছে কুকি-জো গোষ্ঠীও। কয়েকদিন আগে জিরিবামে সিআরপিএফের সঙ্গে সংঘর্ষে এই গোষ্ঠীর ১০ যুবকের মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দেহ। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিহত যুবকদের শেষকৃত্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কুকি গোষ্ঠীর সংগঠন আইটিএলএফ। এদিন এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।



