


মঙ্গল ঘোষ, পুরাতন মালদহ: মালদহ বিধানসভায় বিধায়ক বিজেপির প্রার্থী গোপাল সাহা গত পাঁচ বছরে কিছুই উন্নয়ন করেননি বলে এতদিন সোচ্চার হচ্ছিল তৃণমূল। এবার ভাবুক গ্রাম পঞ্চায়েতে খোদ পদ্মপার্টির নির্বাচিত সদস্য উৎপল সরকারও উন্নয়ন হয়নি বলে বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন। শুক্রবার রাতে দল ও বিধায়কের উপর একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেছেন। বলেন, বিজেপিতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। দুর্নীতি রয়েছে। কিছু বলা যায় না, কাজও করা যায় না। বিধায়ক কিছু কাজ করেননি। সেজন্য তৃণমূল প্রার্থী লিপিকা বর্মন ঘোষকে সমর্থন করে এই যোগদান।
ভাবুক গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৮টি সংসদ। ১৯ জন সদস্য রয়েছেন। তারমধ্যে ১১ জনই বিজেপির। সাতজন তৃণমূলের। অন্যজন নির্দল। বিজেপির বোর্ড ও বিধায়ক থাকতেও এলাকায় তেমন উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ। এদিন রাতে কর্মিসভায় তৃণমূলের ভাবুক অঞ্চল সভাপতি দিলীপ হেমব্রম, ব্লকের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি সঞ্জিত রাজবংশী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাও বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তো বিজেপির। এটা বিধায়কের নিজের অঞ্চল। তবুও বিজেপির প্রতি কারও আস্থা নেই। এদিন আরও ৪০টি পরিবার তৃণমূলে যোগদান করেছে।
উৎপল সরকার বলেন, এখানে বিজেপির বিধায়ক থাকলেও ভাবুক বুথে কোনো কাজ হয়নি। প্রতিবাদ করে এদিন দল ছাড়লাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের জোয়ার এনে দিয়েছেন। তাই এবার তৃণমূলকে জেতাতে চাই।
বিজেপির মণ্ডল সভাপতি আচারু রাজবংশী দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই বলে দাবি করেছেন। বলেন, ভাবুকে বিধায়কের তহবিল থেকে প্রচুর কাজ হয়েছে। ওই সদস্য তৃণমূলের কাছে বিক্রি হয়েছেন। ক্ষমতা থাকলে সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্দল হিসেবে জিতে দেখান।