Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরাতে স্বাস্থ্য ভবনে বিজেপি বিধায়করা

দক্ষিণ দিনাজপুরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে বিজেপি বিধায়করা স্বাস্থ্য ভবনে বৈঠক করেছেন। চিকিৎসার মান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। বিস্তারিত পড়ুন।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরাতে স্বাস্থ্য ভবনে বিজেপি বিধায়করা
  • ৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরাতে স্বাস্থ্য ভবনের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি বিধায়করা। বহু প্রতীক্ষিত মেডিকেল কলেজের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তবে সেই মেডিকেল কলেজ বাস্তবায়িত হতে এখনও বেশ কিছুটা সময় লাগবে। তার আগেই জেলার বেহাল স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি কীভাবে সম্ভব, সেবিষয়ে স্বাস্থ্য ভবনে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন কুশমণ্ডি ও তপনের বিজেপি বিধায়করা।ডিরেক্টর অব হেলথ সার্ভিসেসের (ডিএইচএস) আধিকারিকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন তাঁরা। বিধায়কদের অভিযোগ,তৃণমূল সরকারের আমলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর রোগীদের স্বার্থে কাজ করার পরিবর্তে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। সেই পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন এখনও ঘটেনি।গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে সুপার স্পেশালিটি- সর্বত্রই পরিষেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সামান্য জটিলতাতেই রোগীদের রেফার করে দেওয়া হচ্ছে। 

Advertisement

গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে শিশুদের ভর্তি রেখে চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলেও অভিযোগ। সুপার স্পেশালিটিতে চিকিৎসকদের সপ্তাহে ছয় দিনের ডিউটি রোস্টার থাকলেও তাঁরা নিয়মিত পরিষেবা দিচ্ছেন কি না, তা তদারকির ক্ষেত্রে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলে দাবি বিধায়কদের। কুশমণ্ডির বিধায়ক তাপসচন্দ্র রায় বলেন,জেলায় মেডিকেল কলেজ গড়ে উঠবে। কিন্তু তার জন্য এখনও অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। তার আগেই জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে আমরা স্বাস্থ্যভবনে এসেছি। 
আধিকারিকদের কাছে জেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছি। রেফার বন্ধ করে চিকিৎসকদের সরকারি নিয়ম মেনে হাসপাতালে থেকে পরিষেবা দেওয়ার বিষয়টি জোর দিয়ে বলা হয়েছে। 
পাশাপাশি সুপার স্পেশালিটি ও গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসক ও শয্যা বৃদ্ধি এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য বিনামূল্যে পরীক্ষার সুযোগ বাড়ানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এরপরও যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তবে বিষয়টি আরও উচ্চ পর্যায়ে জানানো হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ