Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিজেপির ভিনরাজ্যের নেতাদের আসা-যাওয়া শুরু রামপুরহাটে

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর সব রাজনৈতিক দলই তৎপর হয়ে উঠেছে। একদিকে এই সরকারে আমলে উন্নয়নের ছবি তুলে ধরতে তৃণমূল কংগ্রেস।

বিজেপির ভিনরাজ্যের নেতাদের আসা-যাওয়া শুরু রামপুরহাটে
  • ১৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর সব রাজনৈতিক দলই তৎপর হয়ে উঠেছে। একদিকে এই সরকারে আমলে উন্নয়নের ছবি তুলে ধরতে তৃণমূল কংগ্রেস। পাল্টা রাজ্যে সরকার বদল বা পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে বিরোধী বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের ভিনরাজ্যের বিজেপির নেতা- মন্ত্রীদের আনাগোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না তৃণমূল। তারা বলছে, ২০২১ সালে পরিযায়ী নেতারা বিভিন্ন রাজ্য থেকে এলেও বিজেপির কোনও লাভ হয়নি। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এলেও ফের খালি হাতে ফিরতে হবে তাদের।  

Advertisement

রবিবার নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বীরভূমে নির্বাচন। তারপরই বিজেপির ভিনরাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা আসতে শুরু করেছেন। রবিবারই বিকেলে তারাপীঠে আসেন ছত্তিশগড়ের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) পবন সাঁই, উত্তরাখণ্ডের শিক্ষামন্ত্রী ধন সিং সহ অন্যান্যরা। দেবী তারার কাছে পুজো দিয়ে জয়ের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন তাঁরা। পরে এদিন তাঁরা হাসন ও রামপুরহাট বিধানসভার পদাধিকারী, ইনচার্জ, কনভেনর, মণ্ডল সভাপতি সহ নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করেন। সূত্রের দাবি, নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়েছে। ফলে দলের কাজ বেড়েছে। ভোটের রণকৌশল নিয়ে সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। প্র঩঩ত্যেক বিধানসভায় এই ধরনের বৈঠক হবে। আগামী দিনেও ভিনরাজ্যের নেতারা আসবেন। কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশও দলের প্রচারে জেলায় এসেছিলেন। এভাবে ভিনরাজ্যের বিজেপি নেতাদের আনাগোনা নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। শাসকদলের নেতারা বলছেন, একুশের ভোটে ২০০পার করার স্লোগান দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু ফল কী হয়েছে সবাই জানে। এবারও পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে। কিন্তু বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা ঠিকই জানেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরানোর দম এখানকার বিজেপি নেতাদের নেই। তাই তাঁরা বাইরে থেকে নেতা নিয়ে আসছেন। কিন্তু বাংলার অগ্নিকন্যার কাছে তাঁরাও পরাজিত হবেন। কারণ, মানুষ উন্নয়ন চায়, জাতপাতের ভাগাভাগি চায় না। দলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, গত বিধানসভা ভোটের মতো এবারও বিজেপির পরিযায়ী নেতারা আসছেন।  ফাইভ স্টার ও থ্রি স্টার হোটেল বুক করতে বলছেন। মঞ্চ রেডি করতে বলছেন। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে হলেও খালি হাতেই ফিরে যেতে হবে। যদিও বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, যাঁরা আসছেন তাঁরা ভারতের বাসিন্দা। দেশের বাসিন্দা হিসেবে যে কোনও জায়গায় আসতে পারেন। শত্রুঘ্ন সিনহা, কীর্তি আজাদ কোথাকার? তাহলে তাঁরাও তো পরিযায়ী। আসলে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের বাইরের বলে মনে করে। ভোটে মানুষ ওদের জবাব দেবে।  তারাপীঠে আগত বিজেপির ছত্তিশগড় ও উত্তরাখণ্ডের নেতা-মন্ত্রীদের বরণ করছেন জেলা কমিটির সদস্য তারক চট্টোপাধ্যায়। -নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ