নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কোটায় কল্যাণী এইমসে চাকরি! ছ’মাসের ইন্টার্নশিপ। প্রতিমাসে মিলবে পাঁচ হাজার টাকা। তারপরই অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ। এমনই টোপ দিয়ে সংঘ পরিবারের ছত্রছায়ায় থাকা একটি সংগঠনের নেতা কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ। শিবশঙ্কর দত্ত নামে ওই নেতার বাড়ি বর্ধমানের কালনা থানার মধুপুর গ্রামে। তিনি নাকি বিশ্বহিন্দু পরিষদের নেতা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, শিবশঙ্করের বিরুদ্ধে যিনি অভিযোগ তুলেছেন, তিনিও সংঘ পরিবারের পৃথক একটি সংগঠনের পদাধিকারী। নাম সুব্রত পাইক। জনসংঘের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আহ্বায়ক তিনি। মূলত, সুব্রতবাবুকে সামনে রেখেই শিবশঙ্কর কল্যাণী এইমসে চাকরির অফার দিয়ে টাকা তুলতেন বলে অভিযোগ। কিন্তু, চাকরি না হওয়ায় বিপাকে পড়ে যান সুব্রতবাবু। অগত্যা তিনি বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপারের অফিসে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাটি সামনে আসতেই তোলপাড় গোটা জেলা। বিড়ম্বনায় পড়ে গেরুয়া শিবির। তবে, কাটোয়া বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘আমাদের সাংগঠনিক জেলায় ১৪টি প্রখণ্ড রয়েছে। কিন্তু, ওই নামে কেউই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন। এমনকী, কালনার ওই গ্রামে আমাদের কোনও পদাধিকারী নেই। কেউ হয়তো বিশ্বহিন্দু পরিষদের নাম ভাঙিয়ে এ কাজ করতে পারেন।’ এদিকে, শিবশঙ্করবাবুকে ফোন করে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই লাইন কেটে দেন। হোয়াটসঅ্যাপ করা হলেও কোনও রিপ্লাই দেননি।



