Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তোলা চেয়ে হুমকির অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে, পানিহাটিতে শোরগোল

পানিহাটির বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। দোকানদারদের প্রতিবাদের মুখে তিনি ফিরে যান। বিস্তারিত পড়ুন।

তোলা চেয়ে হুমকির অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে, পানিহাটিতে শোরগোল
  • ১০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠনের পর সবে একমাস হয়েছে। তার মধ্যেই তোলাবাজির অভিযোগ উঠল পানিহাটির এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ওই বিজেপি নেতা মদ্যপ অবস্থায় দলবল নিয়ে অমরাবতী এলাকার দোকানে দোকানে হুমকি দিয়ে তোলা চাইছেন। তবে দোকানদারদের সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে পরে তিনি চম্পট দেন। সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে। বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই ভিডিওটি অনেক আগের। তাঁকে এনিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। এখন তাঁর আচরণ অনেক সংযত। তবে ওই ভিডিও বা সেই সংক্রান্ত কোনো দাবিই যাচাই করা সম্ভব হয়নি বর্তমানের পক্ষে।

Advertisement

পরিবর্তনের ঝড়ে পানিহাটিতে আরজি করে খুন হওয়া ডাক্তারি ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথ জয়ী হয়েছেন। কিন্তু এরপর বিরোধীদের উপর লাগামছাড়া সন্ত্রাস হচ্ছে বলে অভিযোগ। কীভাবে এটা সম্ভব হয়েছে, তা পানিহাটির বাসিন্দাদের কাছে বড় প্রশ্ন। এমন আবহে ওই তোলাবাজির অভিযোগকে ঘিরে আলোড়ন ছড়িয়েছে। অভিযোগ, বিজেপির পানিহাটি ১ মণ্ডলের এক সাধারণ সম্পাদক দলবল নিয়ে অমরাবতি লাগোয়া দোকানগুলিতে মদ্যপ অবস্থায় যান। এরপর দোকানদারদের অশ্লীল গালিগালাজ করে কার থেকে তাঁরা দোকান পেয়েছেন, তা জানতে চান। তিনি টাকাও চান বলে অভিযোগ। এমনকী টাকা না পেয়ে এক দোকানদারকে মারধরের চেষ্টা করেন। কিন্তু ওই দোকানদারের স্ত্রী ঘটনার ভিডিও করার পাশাপাশি প্রতিবাদ শুরু করেন। তাতে সাহস পেয়ে বাকি দোকানদাররাও এগিয়ে আসেন। সবার সম্মিলিত প্রতিবাদে ওই বিজেপি নেতা ফিরে যান।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, চারপাশে মদের বোতল ছড়ানো। দোকানদারদের প্রতিবাদের মুখে কার্যত কথা হারিয়েছেন ওই নেতা। বিজেপির সাধারণ কর্মীদের অভিযোগ, ওই সাধারণ সম্পাদক ভোটের সময় অমরাবতী ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভার আগে দলের নেতা মধু ঘোষকেও মারধর করেছিলেন। এলাকার সাট্টার ঠেকে ওই মদ্যপ নেতার অবাধ যাতায়াত। মণ্ডল-১ এর সভাপতি অপু ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর সাত খুন মাফ হয়ে যায়। এই বিষয়ে অপু ঘোষ বলেন, এই ভিডিওটি অনেক পুরাতন। সেই সময় ওই নেতাকে সতর্ক করা হয়েছিল। তারপর তাঁর আচরণে অনেক পরিবর্তন এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সভায় দলের এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ওই নেতার সঙ্গে তাঁর সামান্য বচসা হয়েছিল। মারধর হয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ