Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের নামে বিজেপি ফের পাহাড়বাসীকে ধোঁকা দিচ্ছে, অভিযোগ অশোকের

পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের নামে বিজেপি ফের পাহাড়বাসীকে আশ্বাস দিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন সিপিএমের প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য।

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের নামে বিজেপি ফের পাহাড়বাসীকে ধোঁকা দিচ্ছে, অভিযোগ অশোকের
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের নামে বিজেপি ফের পাহাড়বাসীকে আশ্বাস দিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন সিপিএমের প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। সোমবার শিলিগুড়ির অনিল বিশ্বাস ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গঠিত কমিটির ভূমিকা নিয়ে সরব হন তিনি। তাঁর দাবি, আগামী লোকসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক অঙ্ককে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

অশোকবাবু বলেন, পাহাড়ের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেটি কোনো প্রশাসনিক কমিটি নয়। সর্বদলীয় প্রতিনিধিত্বও নেই। এটি বিজেপির রাজনৈতিক কমিটি। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পঙ্কজ সিংকে রাখা হলেও প্রকৃত অর্থে পাহাড়ের সমস্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক পক্ষকে নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। সত্যিই যদি স্থায়ী সমাধানের সদিচ্ছা থাকে, তাহলে সর্বদলীয় ও সর্বপক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আলোচনার ব্যবস্থা করা হল না কেন?
অশোক ভট্টাচার্য আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে বিজেপি পাহাড়বাসীর আবেগ নিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে। সেসব পূরণ হয়নি। পাহাড়ের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে বামপন্থীরাই প্রথম ষষ্ঠ তপসিলের ভিত্তিতে স্বশাসনের প্রস্তাব সামনে এনেছিল। ইউপিএ সরকারের আমলে ষষ্ঠ তপসিলের প্রস্তাব সংসদে পেশ হওয়ার পর স্ট্যান্ডিং কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। সুষমা স্বরাজের নেতৃত্বাধীন সেই কমিটি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনাও করেছিল। তবে পাহাড়ে যাওয়ার আগে বিমল গুরুংয়ের বিরোধিতার কারণে সেই প্রক্রিয়া থমকে যায়। শুধু জিটিএকে ষষ্ঠ তপসিলের আওতায় আনা নয়, প্রয়োজনে সংবিধানের ৩৭১ নম্বর ধারার মতো বিশেষ ক্ষমতা এবং সর্বোচ্চ স্বশাসনের ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা দরকার। স্বশাসিত বোর্ডকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতাসহ কার্যকর করা হলে পাহাড়বাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার অনেকটাই পূরণ হতে পারে। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ