নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বিকল্প নিকাশি নালা তৈরি করে দেওয়ায় কীভাবে ব্লক প্রশাসনকে বিতর্কিত প্রকল্পের টাকা ফেরানো যাবে তা নিয়ে বড়জোড়া পঞ্চায়েতের কার্যত মাথায় হাত পড়েছে। বড়জোড়া অঞ্চলের কৃষ্ণনগর গ্রামে ওই নিকাশি নালা নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়ার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
পঞ্চায়েত প্রধান সোমা মণ্ডল বলেন, কৃষ্ণনগর গ্রামেরই অন্যত্র আমরা বিকল্প একটি নিকাশি নালা তৈরি করেছি। ফলে টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। এই অবস্থায় টাকা ফেরত দেওয়া মুশকিল।
বড়জোড়া ব্লকের এক আধিকারিক বলেন, বিডিও অফিস থেকে তদন্তের জন্য কৃষ্ণনগর গ্রামে লোক পাঠানো হয়েছিল। পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় পঞ্চায়েতের তরফে নিকাশি নালা তৈরি হয়নি। ফলে অন্য কোথায় পঞ্চায়েত কী কাজ করেছে, তা আমরা দেখতে যাব না। কারণ যথাযথ নিয়ম মেনে প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন করা হয়নি। এক জায়গার নাম করে অন্যত্র প্রকল্প রূপায়ন করা যায় না। পঞ্চায়েতের লোকজন বিষয়টি জানত না, এটা বিশ্বাস করা যায় না। ফলে টাকা ফেরত দিতেই হবে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দু’লক্ষ টাকা বিল মিটিয়েছে, তাই তাদেরই তা উদ্ধার করে সরকারি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে। এর অন্যথা হলে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আমরা বাধ্য হব।
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) রোহন লক্ষ্মীকান্ত যোশী বলেন, নিকাশি নালা তৈরি নিয়ে অভিযোগের তদন্ত বড়জোড়া ব্লক প্রশাসন করছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। কেউ ইচ্ছামতো প্রকল্পের স্থান বদল করতে পারেন না।
বড়জোড়া ব্লকের এক আধিকারিক বলেন, বিডিও অফিস থেকে তদন্তের জন্য কৃষ্ণনগর গ্রামে লোক পাঠানো হয়েছিল। পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় পঞ্চায়েতের তরফে নিকাশি নালা তৈরি হয়নি। ফলে অন্য কোথায় পঞ্চায়েত কী কাজ করেছে, তা আমরা দেখতে যাব না। কারণ যথাযথ নিয়ম মেনে প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন করা হয়নি। এক জায়গার নাম করে অন্যত্র প্রকল্প রূপায়ন করা যায় না। পঞ্চায়েতের লোকজন বিষয়টি জানত না, এটা বিশ্বাস করা যায় না। ফলে টাকা ফেরত দিতেই হবে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দু’লক্ষ টাকা বিল মিটিয়েছে, তাই তাদেরই তা উদ্ধার করে সরকারি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে। এর অন্যথা হলে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আমরা বাধ্য হব।
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) রোহন লক্ষ্মীকান্ত যোশী বলেন, নিকাশি নালা তৈরি নিয়ে অভিযোগের তদন্ত বড়জোড়া ব্লক প্রশাসন করছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। কেউ ইচ্ছামতো প্রকল্পের স্থান বদল করতে পারেন না।



