নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বড়জোড়ার কৃষ্ণনগর গ্রামে নিকাশি নালার কাজ না করেই তুলে নেওয়া হয়েছে টাকা। বড়জোড়া ব্লক প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে ওই তথ্য উঠে এসেছে। ইতিমধ্যেই বড়জোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ককে বিডিও কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছেন। সেখানেও প্রাথমিক তদন্তের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। প্রকল্প রূপায়িত না করেই কেন একটি ঠিকাদার সংস্থাকে ২ লক্ষ ৯৮২ টাকা মেটানো হয়েছে, তা বিডিও পঞ্চায়েতের কাছে জানতে চেয়েছেন। নোটিস পাওয়ার তিনদিনের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে। উত্তর সন্তোষজনক না হলে শীঘ্রই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের ব্যাপারে ব্লক প্রশাসনের তরফে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের অবগত করা হয়েছে। কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে দু’দিন আগে বিজেপি-র তরফে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ফলে প্রশাসনিক মহলের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বড়জোড়ার রাজনৈতিক মহলেও তোলপাড় শুরু হয়েছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) রোহন লক্ষ্মীকান্ত যোশী বলেন, বড়জোড়া পঞ্চায়েতের নিকাশি নালা নির্মাণের বিষয়টি ব্লক প্রশাসন তদন্ত করছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়লে এব্যাপারে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
বড়জোড়া ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, নিকাশি নালা নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর কৃষ্ণনগর গ্রামে আমরা তদন্ত চালিয়েছি। সংশ্লিষ্ট জায়গায় প্রকল্প মোতাবেক কোনও নিকাশি নালা তৈরি করা হয়নি। তা সত্ত্বেও বড়জোড়া পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ২ লক্ষ ৯৮২ টাকা ঠিকাদার সংস্থাকে মিটিয়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ককে শোকজ করা হয়েছে।
তৃণমূল পরিচালিত বড়জোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সোমা মণ্ডল বলেন, কৃষ্ণনগর গ্রামে একটি নিকাশি নালা তৈরির ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। সেইমতো অর্থ বরাদ্দ হয়। তবে তারমধ্যেই জেলা পরিষদের তরফে ওই জায়গায় নিকাশি নালা তৈরি করে দেওয়া হয়। ফলে টাকা ফিরে যেতে বসেছিল। তা আটকাতে আমরা কৃষ্ণনগর গ্রামেরই অন্য একটি জায়গায় নিকাশি নালা তৈরি করেছি। তবে বিল মেটানো হয়েছে, পূর্বের জায়গায় প্রকল্প দেখিয়েই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি মেনে আমরা ওই কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। ফলে কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঠিক নয়।
বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় কোনও কারণে প্রকল্প রূপায়িত না হতেই পারে। তা অন্যত্র সরিয়েও নেওয়া যায়। কিন্তু, তারজন্য পঞ্চায়েতকে কিছু নিয়ম মানতে হয়। ব্লক প্রশাসনের মাধ্যমে জেলাস্তরে এব্যাপারে প্রস্তাব পাঠাতে হয়। তা অনুমোদিত হওয়ার পর ফের নতুন করে প্রকল্পের দরপত্র(টেন্ডার) আহ্বান করতে হয়। তারপর তা নতুন জায়গায় রূপায়ণ করা যায়। এক জায়গার নাম করে বিল তুলে অন্য এলাকায় প্রকল্প রূপায়ণ আইনবিরুদ্ধ কাজ তারজন্য বড়জোড়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতেই পারে।
প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা পঞ্চায়েতের কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তাঁরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিকেই বিষয়টি ঠেলে দিয়েছেন। যদিও বেআইনিভাবে বিল মেটানো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মী-আধিকারিকরা দায় এড়াতে পারবেন না বলে জেলা প্রশাসনের কর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।
বড়জোড়া ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, নিকাশি নালা নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর কৃষ্ণনগর গ্রামে আমরা তদন্ত চালিয়েছি। সংশ্লিষ্ট জায়গায় প্রকল্প মোতাবেক কোনও নিকাশি নালা তৈরি করা হয়নি। তা সত্ত্বেও বড়জোড়া পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ২ লক্ষ ৯৮২ টাকা ঠিকাদার সংস্থাকে মিটিয়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ককে শোকজ করা হয়েছে।
তৃণমূল পরিচালিত বড়জোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সোমা মণ্ডল বলেন, কৃষ্ণনগর গ্রামে একটি নিকাশি নালা তৈরির ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। সেইমতো অর্থ বরাদ্দ হয়। তবে তারমধ্যেই জেলা পরিষদের তরফে ওই জায়গায় নিকাশি নালা তৈরি করে দেওয়া হয়। ফলে টাকা ফিরে যেতে বসেছিল। তা আটকাতে আমরা কৃষ্ণনগর গ্রামেরই অন্য একটি জায়গায় নিকাশি নালা তৈরি করেছি। তবে বিল মেটানো হয়েছে, পূর্বের জায়গায় প্রকল্প দেখিয়েই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি মেনে আমরা ওই কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। ফলে কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঠিক নয়।
বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় কোনও কারণে প্রকল্প রূপায়িত না হতেই পারে। তা অন্যত্র সরিয়েও নেওয়া যায়। কিন্তু, তারজন্য পঞ্চায়েতকে কিছু নিয়ম মানতে হয়। ব্লক প্রশাসনের মাধ্যমে জেলাস্তরে এব্যাপারে প্রস্তাব পাঠাতে হয়। তা অনুমোদিত হওয়ার পর ফের নতুন করে প্রকল্পের দরপত্র(টেন্ডার) আহ্বান করতে হয়। তারপর তা নতুন জায়গায় রূপায়ণ করা যায়। এক জায়গার নাম করে বিল তুলে অন্য এলাকায় প্রকল্প রূপায়ণ আইনবিরুদ্ধ কাজ তারজন্য বড়জোড়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতেই পারে।
প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা পঞ্চায়েতের কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তাঁরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিকেই বিষয়টি ঠেলে দিয়েছেন। যদিও বেআইনিভাবে বিল মেটানো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মী-আধিকারিকরা দায় এড়াতে পারবেন না বলে জেলা প্রশাসনের কর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।



