নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ডায়মন্ডহারবারে বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হল ভিলেজ পুলিসের। মৃতের নাম দেবদাস হালদার (৩৪)। তাঁর বাড়িতেই বাজি তৈরি হচ্ছিল। রবিবার বিকেলে বিস্ফোরণের পর অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেবদাস ও তাঁর শ্যালক শানু পুরকাইতকে ডায়মন্ডহারবার থেকে এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার দেবদাসের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, এদিন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ তিনি মারা যান। ময়নাতদন্তের পর দেহ গ্রামে আসবে। অন্যদিকে, অপরজনের অবস্থাও বেশ খারাপ বলেই খবর।
Advertisement
এদিকে, কীভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে এখনও সূত্র হাতড়াচ্ছে পুলিস। তবে একটি মহল বলছে, যে কিশোরের মৃত্যু হয়েছিল সে বিড়ি খেতে খেতে ঘরের ভিতরে ঢুকেছিল। আগুনের ফুলকি বারুদে পড়তেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এ নিয়ে নিশ্চিত নন তদন্তকারীরা। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে ফরেন্সিক দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাত পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করতে কেউ আসেননি। এদিকে, তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ভিলেজ পুলিসের বাড়ির পিছনে একটি পরিত্যক্ত খামার রয়েছে। সেখানেই এই বাজি তৈরি হচ্ছিল। দেবদাস বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পুজোর সময়ে বাজি তৈরির অর্ডার পেতেন। সেরকমই একটি অর্ডার পেয়ে কাজ করছিলেন। তবে লাইসেন্স নিয়ে এই বাজি তৈরি করতেন কি না, তার খোঁজ করছে পুলিস।
বিস্ফোরণে মৃত ঋজু পাইক নামে ওই কিশোরের বাড়ি দুর্ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরেই। তার পরিবারে মা, বাবা ও দাদা রয়েছে। তাঁরাও বুঝে উঠতে পারছেন না, কীভাবে এমন কাণ্ড হল। এদিন সারাদিন এলাকা থমথমে ছিল। শোকের ছায়া নেমে এসেছে মৃতদের পরিবারে। দেবদাসের পরিবারকে অন্যত্র আশ্রয় দিয়েছে পুলিস। গ্রামের মধ্যে এমন ঘটনা নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন এলাকার মানুষ। এদিকে, ফরেন্সিক দল নমুনা সংগ্রহ করবে বলে ওই ঘটনাস্থলে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী পুলিসও সেখানে ঢোকেনি। দমকল আগুন নেভানোর পর তা ঘিরে দেওয়া হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনও পুলিসের তরফে সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। প্রসঙ্গত, রবিবার বিকেলে বাজি তৈরির সময় বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ডায়মন্ডহারবার থানার কানপুর ধনবেড়িয়া অঞ্চলের বারদ্রোণের নস্করপাড়া।
বিস্ফোরণে মৃত ঋজু পাইক নামে ওই কিশোরের বাড়ি দুর্ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরেই। তার পরিবারে মা, বাবা ও দাদা রয়েছে। তাঁরাও বুঝে উঠতে পারছেন না, কীভাবে এমন কাণ্ড হল। এদিন সারাদিন এলাকা থমথমে ছিল। শোকের ছায়া নেমে এসেছে মৃতদের পরিবারে। দেবদাসের পরিবারকে অন্যত্র আশ্রয় দিয়েছে পুলিস। গ্রামের মধ্যে এমন ঘটনা নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন এলাকার মানুষ। এদিকে, ফরেন্সিক দল নমুনা সংগ্রহ করবে বলে ওই ঘটনাস্থলে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী পুলিসও সেখানে ঢোকেনি। দমকল আগুন নেভানোর পর তা ঘিরে দেওয়া হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনও পুলিসের তরফে সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। প্রসঙ্গত, রবিবার বিকেলে বাজি তৈরির সময় বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ডায়মন্ডহারবার থানার কানপুর ধনবেড়িয়া অঞ্চলের বারদ্রোণের নস্করপাড়া।



