সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: বাইসন, হাতির পর মাথাভাঙা-২ ব্লকের লোকালয়ে এবার এল হরিণ। তোর্সা নদী পেরিয়ে বারবার লোকালয়ে বন্যপ্রাণী চলে আসার ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথাভাঙা-২ ব্লকের লতাপোঁতা ও ঘোকসাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের তোর্সা নদীর উল্টোপাড়ে রয়েছে চিলাপাতা ও জলদাপাড়া জঙ্গল। খাবারের সন্ধানে নদী পেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসছে বন্যপ্রাণীরা। বারবার লোকালয়ে বন্যজন্ত চলে আসায় চরম আতঙ্কিত বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার লতাপোঁতার দ্বারিকামারি গ্রামে একটি হরিণের দেখা মেলে। স্থানীয়রা হরিণটি ধরার চেষ্টা করেও পারেননি। খবর পেয়ে বনদপ্তরের মাথাভাঙার কর্মীরা এসে হরিণটি ধরে নিয়ে যান। পরে তাঁরা জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসেন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা তপন বর্মন, বরেন্দ্র বর্মন বলেন, এদিন সব্জি খেতে কাজে যাচ্ছিলাম। সেই সময়ে লোকালয়ে হরিণটি দেখতে পাই। কুকুরে কামড়ে দিতে পারে এই আশঙ্কায় হরিণটি ধরার চেষ্টা করি। কিন্তু ছোটাছুটি করায় ধরা সম্ভব হয়নি। বনকর্মীদের খবর দেওয়া হয়। বনকর্মীরা এসে হরিণটিকে ধরে নিয়ে যান।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মাথাভাঙা-২ ব্লকের লতাপোঁতায় বাইসন ঢুকে পড়েছিল। পরপর দু’দিন লাফাবাড়িতে লোকালয়ে দাপিয়ে বেড়ায় বাইসন। কয়েকদিন আগে ব্লকের পাড়ডুবি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লোকালয়ে চলে এসেছিল একটি দলছুট হাতি। এদিন হরিণ চলে আসায় এরপর কী, এ নিয়ে চর্চা চলছে গ্রামে। বন্যজন্তুরা সহজে যাতে লোকালয়ে চলে না আসে তারজন্য নজরদারির দাবি তুলেছেন তাঁরা।
এ ব্যাপারে বনদপ্তরের মাথাভাঙার রেঞ্জার সুদীপ দাস বলেন, এদিন লোকালয়ে একটি হরিণ এসেছিল। সেটিকে ধরার পর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জলদাপাড়া ও চিলাপাতা জঙ্গল তোর্সার ওপাড়ে অবস্থিত। খাবারের সন্ধানে অনেক সময়েই লোকালয়ে বন্যপ্রাণী চলে আসে। আমরা নিয়মিত নজরদারি রাখছি এলাকায়। তবে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী এলে নিরাপদ দূরত্বে থাকা দরকার।
মঙ্গলবার লতাপোঁতার দ্বারিকামারি গ্রামে একটি হরিণের দেখা মেলে। স্থানীয়রা হরিণটি ধরার চেষ্টা করেও পারেননি। খবর পেয়ে বনদপ্তরের মাথাভাঙার কর্মীরা এসে হরিণটি ধরে নিয়ে যান। পরে তাঁরা জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসেন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা তপন বর্মন, বরেন্দ্র বর্মন বলেন, এদিন সব্জি খেতে কাজে যাচ্ছিলাম। সেই সময়ে লোকালয়ে হরিণটি দেখতে পাই। কুকুরে কামড়ে দিতে পারে এই আশঙ্কায় হরিণটি ধরার চেষ্টা করি। কিন্তু ছোটাছুটি করায় ধরা সম্ভব হয়নি। বনকর্মীদের খবর দেওয়া হয়। বনকর্মীরা এসে হরিণটিকে ধরে নিয়ে যান।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মাথাভাঙা-২ ব্লকের লতাপোঁতায় বাইসন ঢুকে পড়েছিল। পরপর দু’দিন লাফাবাড়িতে লোকালয়ে দাপিয়ে বেড়ায় বাইসন। কয়েকদিন আগে ব্লকের পাড়ডুবি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লোকালয়ে চলে এসেছিল একটি দলছুট হাতি। এদিন হরিণ চলে আসায় এরপর কী, এ নিয়ে চর্চা চলছে গ্রামে। বন্যজন্তুরা সহজে যাতে লোকালয়ে চলে না আসে তারজন্য নজরদারির দাবি তুলেছেন তাঁরা।
এ ব্যাপারে বনদপ্তরের মাথাভাঙার রেঞ্জার সুদীপ দাস বলেন, এদিন লোকালয়ে একটি হরিণ এসেছিল। সেটিকে ধরার পর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জলদাপাড়া ও চিলাপাতা জঙ্গল তোর্সার ওপাড়ে অবস্থিত। খাবারের সন্ধানে অনেক সময়েই লোকালয়ে বন্যপ্রাণী চলে আসে। আমরা নিয়মিত নজরদারি রাখছি এলাকায়। তবে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী এলে নিরাপদ দূরত্বে থাকা দরকার।



