Bartaman Logo
২৯ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস, খাবারের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন

মাত্র ৫৫ টাকা! দু’পিস চিকেন কষা কিংবা চিলি চিকেনের সঙ্গে মিলছে ফ্রায়েড রাইস! চিকেন বিরিয়ানি বা বাসন্তী পোলাও খেতে চাইলে তাও মিলবে ৫৫ টাকায়!

৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস, খাবারের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন
  • ২৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০

সংবাদদাতা, বনগাঁ: মাত্র ৫৫ টাকা! দু’পিস চিকেন কষা কিংবা চিলি চিকেনের সঙ্গে মিলছে ফ্রায়েড রাইস! চিকেন বিরিয়ানি বা বাসন্তী পোলাও খেতে চাইলে তাও মিলবে ৫৫ টাকায়! কোথাও কোথাও দাম কিঞ্চিত বেশি, ৬০ টাকা! এমনই কম্বো অফার চলছে বনগাঁ শহরে। ফুটপাতে দেদারে বিক্রি হচ্ছে এইসব খাবার। ক্রেতা টানতে রীতিমতো মাইক বেঁধে চলছে প্রচার। সস্তায় বিরিয়ানি কিংবা চিকেন সহযোগে ফ্রায়েড রাইস খেতে ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। চুলোয় যাক স্বাস্থ্যবিধি, কমদামে মুখরোচক খাবার পেয়ে খুশি আম জনতা। তবে খাবারের গুণগত মান কেমন, তা নিয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই কারও। হেলদোল নেই প্রশাসনেরও। খাবারের গুণগত মান যাচাইয়ে আজ পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, সস্তায় খাবার খেয়ে আসলে শরীরে মারণ বিষ জোগাচ্ছে মানুষ নিজেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুটপাতে খাবারের দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না। সস্তায় কাঁচামাল, মাত্রাতিরিক্ত ফুড কালার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হয়। এই খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে।

Advertisement

বনগাঁ শহরে একাধিক জায়গায় অস্থায়ী ‘ফুড জোন’ গড়ে উঠেছে। ব্যাঙের ছাতার মতো তৈরি হয়েছে বিরিয়ানি কিংবা চাইনিজ খাবারের দোকান। এইসব দোকানে জলের দরে বিকোচ্ছে বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস, চিকেন পকোড়া, চাউমিন, চিলি চিকেন। বাসিন্দাদের অনেকেরই দাবি, এত কম দামে কী করে এসব খাবার বিক্রি হচ্ছে? এক সরকারি কর্মীর কথায়, ‘দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ, গ্যাসের খরচ সামলে কর্মচারীদের বেতন দিয়ে কীভাবে এই দামে খাবার বিক্রি করতে পারে দোকানিরা? এইসব খাবারের গুণগত মান কখনই ঠিক থাকতে পারে না।’
এ বিষয়ে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, খাবারের গুণগত মান যাচাইয়ের দায়িত্ব ফুড সেফটি আধিকারিকের। আমরা খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে পারি না।’ এ বিষয়ে বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার ডাঃ কৃষ্ণচন্দ্র বড়াই বলেন, ফুড সেফটি অফিসাররা নিয়মিত বাজারে হানা দেন। বিভিন্ন খাবারের নমুনা সংগ্রহ করেন। সেসব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখা হয়। খাবারের গুণগত মান ঠিক না থাকলে, সেই দোকানদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ