নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একইদিনে জোড়া দুর্ঘটনা ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকায়। বৃহস্পতিবার প্রথমটি ঘটেছে প্রগতি ময়দান থানা এলাকার ধাপা রোডে। অন্যটি পঞ্চসায়র থানা এলাকায় সুকুমার রায় উদ্যানের কাছে। দু’টি দুর্ঘটনায় সব মিলিয়ে তিনজন আহত হয়েছে।
Advertisement
ধাপা রোডে পড়ুয়া নিয়ে স্কুলের পথে যাচ্ছিল একটি পুলকার। চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কন্টেনারে সরাসরি ধাক্কা মারেন। এর জেরে আহত হয়েছেন পুলকারের চালক ও এক ছাত্রী। জখম চালকের নাম রাজু দাস (২২)। আহত ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর। সে হোলি চাইল্ড স্কুলে পড়ে। ওই গাড়িতে আরও চারজন পড়ুয়া ছিল। তাদের আঘাত গুরুতর নয়। চালকের দাবি, স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তাহলে কি যান্ত্রিক সমস্যা নিয়েই ঝুঁকির যাত্রায় পথে নেমেছিল পুলকারটি? দুর্ঘটনার পর এমনই প্রশ্ন তুলছেন অভিভাবকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলকারটি দ্রুতগতিতে আসছিল। সেই মুহূর্তে গাড়িতে বিকট একটি শব্দ হয়। এরপর আর স্টিয়ারিং ঘোরাতে পারেননি চালক। সরাসরি সেটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি পণ্যবাহী গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুমড়ে মুচড়ে যায় পুলকারের বনেট। ভেঙে যায় গাড়ির উইন্ডশিল্ড। কাচের আঘাতের জখম হন চালক। রক্তে ভেসে যায় গাড়ির সিট। আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে দেয় ভিতরে থাকা পড়ুয়ারা। স্থানীয়রাই প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। অমিত যাদব নামে এক মোটরচালক বলেন, একজন ছাত্রীর মাথায় চোট লাগে। তাকে গাড়ির কাচ ভেঙে বের করা হয়। আমরা প্রগতি ময়দান থানায় খবর দিই। দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে পুলিস। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকি ছাত্রীদের বাড়িতে ফোন করে পুলিস। অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের।
সূত্রের খবর, পুলকারটি প্রায় ১২ বছরের পুরনো। সেটির রোড ট্যাক্স জমা পড়েনি। পলিউশনের সর্টিফিকেটও নেই। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অবশ্য ফিটনেস সার্টিফিকেট রয়েছে। তাহলে কীভাবে স্টিয়ারিংয়ের সমস্যা দেখা দিল গাড়িতে? নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই দুর্ঘটনা বলে অনুমান পুলিসের। গাড়ির মালিককে থানায় তলব করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলকারটি দ্রুতগতিতে আসছিল। সেই মুহূর্তে গাড়িতে বিকট একটি শব্দ হয়। এরপর আর স্টিয়ারিং ঘোরাতে পারেননি চালক। সরাসরি সেটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি পণ্যবাহী গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুমড়ে মুচড়ে যায় পুলকারের বনেট। ভেঙে যায় গাড়ির উইন্ডশিল্ড। কাচের আঘাতের জখম হন চালক। রক্তে ভেসে যায় গাড়ির সিট। আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে দেয় ভিতরে থাকা পড়ুয়ারা। স্থানীয়রাই প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। অমিত যাদব নামে এক মোটরচালক বলেন, একজন ছাত্রীর মাথায় চোট লাগে। তাকে গাড়ির কাচ ভেঙে বের করা হয়। আমরা প্রগতি ময়দান থানায় খবর দিই। দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে পুলিস। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকি ছাত্রীদের বাড়িতে ফোন করে পুলিস। অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের।
অন্যদিকে, এদিন বিকেলে পঞ্চসায়র থানা এলাকায় স্কুলবাসের ধাক্কায় গুরুতর জখম হয়েছেন এক সাইকেল আরোহী। তাঁর নাম রানা রাউত (২৮)। ওই সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মারার পর ফুটপাতের উপরে উঠে একটি পাঁচিলে ধাক্কা মারে স্কুলবাসটি। ভেঙে যায় পাঁচিল। আহত যুবককে পঞ্চসায়রের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



