রাহুল চক্রবর্তী, কলকাতা: পাঠক-ক্রেতা-দর্শক মেলা ঘুরবেন। বই দেখবেন। পড়বেন। কিনবেন। কথা হবে পাঠক-লেখক-প্রকাশকের। বইমেলার সৌন্দর্য দাঁড়িয়ে আছে এমনই এক সরল পংক্তিতে। আর এখানেই ছন্দপতন ঘটাচ্ছে শব্দদানব। মেলাজুড়ে তার দাপাদাপিতে পাঠক-ক্রেতারা বেশ ক্ষুব্ধ। এ নিয়ে পাঠকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের কাছে। আগামীবার বইমেলায় বইয়ের পাতায় পাঠকের মনঃসংযোগ যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না-হয়, অবাঞ্ছিত আওয়াজ কীভাবে দূর করা যায়, এসব নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন গিল্ড কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
এবারের ৪৮তম বইমেলা কেমন লেগেছে, কোনও সমস্যা হয়েছে কি না, আন্তর্জাতিক বইমেলাকে আগামীবার আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য কোনও মতামত থাকলে, তা জানাবেন বইপ্রেমীরা। মতামত তাঁদের কাছেই আহ্বান করেছিল গিল্ড। বিভিন্ন বয়সি মানুষ তাঁদের মতামত জানিয়েছেন। তাতে মোটের উপর বইপ্রেমীরা ‘শব্দদানব’ নিয়েই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বইমেলার আয়োজকদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, একটি স্টলে পাঠক-প্রকাশকের কথা চলছিল, সেখানে বারবার ছন্দপতন ঘটিয়েছে পাশের স্টলের সাউন্ডবক্স। তীব্র আওয়াজের ফলে বইতে মনঃসংযোগই করতে পারছিলেন না অনেকে। তার উপর একটি স্টলের সাউন্ডবক্স পাশের স্টলের গেটের দিকে মুখ করা। ফলে গাঁ ঘেষে থাকা এক স্টলে ঢুকলেই কানে ভেসে এসেছে পাশের স্টলের সাউন্ডবক্সের তীব্র আওয়াজ।
বইপ্রেমীদের চোখে ধরা পড়েছে, মেলায় বিভিন্ন স্টলের বাইরে কুইজ প্রতিযোগিতা হয়েছে। তাতে সাউন্ডবক্স আরও দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়া বিভিন্ন স্টলে শব্দের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেশি ছিল বলে অভিযোগ। মেলার চৌহদ্দি জুড়ে বই নিয়ে কথা হবে, সেখানে আওয়াজের দাপাদাপিতে সৃষ্টি হয়েছিল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। অভিযোগ বহু পাঠকের।
বইপ্রেমীরা গিল্ডকে জানিয়েছেন, মেলা চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় গান-বাজনার আসর বসে গিয়েছিল। এজন্য পোর্টেবল সাউন্ডবক্স পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে। বইপ্রেমীদের বক্তব্য, বইমেলার সবচেয়ে ভালো দিক হল একটি মেলার মধ্যে নানা ধরনের বই হাতে নিয়ে দেখা যায়। কিন্তু সেখানে তীব্র আওয়াজে ছন্দপতন ঘটেছে মাঝেমধ্যেই। তাই নির্দিষ্ট মাত্রার মধ্যে সাউন্ডবক্স ব্যবহার হোক। বন্ধ হোক শব্দদানবের দাপাদাপি।
পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর দে বলেন, তীব্র আওয়াজ নিয়ে পাঠকদের বেশকিছু অভিযোগ এসেছে। আওয়াজ কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবনাচিন্তা করব। পাঠক-প্রকাশক কারও যাতে আলাপচারিতায় যাতে কোনোরকম অসুবিধা না-হয়, সেই দিকটা গুরুত্ব দিয়েই ভাবা হবে। অন্যদিকে, বইমেলায় আগত প্রবীণ ব্যক্তিরা গিল্ডকে জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্টলে র্যাম্প না-থাকার ফলে তাঁদের ঢুকতে বেরতে একটু সমস্যা হয়েছে। এজন্য বিশেষ করে অসুবিধা হয়েছে কিছু স্টলে হুইল চেয়ার নিয়ে ঢুকতে গিয়ে। বিষয়টি গিল্ড কর্তৃপক্ষেরও পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তাঁরা চান, বড় এবং নামী স্টলগুলিতে যেখানে বইপ্রেমীদের ভিড় বেশি হয়ে থাকে সেখানে আগামীবার যাতে র্যাম্পের ব্যবস্থা করা যায়, তার চেষ্টা তাঁরা করবেন।
বইপ্রেমীদের চোখে ধরা পড়েছে, মেলায় বিভিন্ন স্টলের বাইরে কুইজ প্রতিযোগিতা হয়েছে। তাতে সাউন্ডবক্স আরও দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়া বিভিন্ন স্টলে শব্দের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেশি ছিল বলে অভিযোগ। মেলার চৌহদ্দি জুড়ে বই নিয়ে কথা হবে, সেখানে আওয়াজের দাপাদাপিতে সৃষ্টি হয়েছিল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। অভিযোগ বহু পাঠকের।
বইপ্রেমীরা গিল্ডকে জানিয়েছেন, মেলা চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় গান-বাজনার আসর বসে গিয়েছিল। এজন্য পোর্টেবল সাউন্ডবক্স পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে। বইপ্রেমীদের বক্তব্য, বইমেলার সবচেয়ে ভালো দিক হল একটি মেলার মধ্যে নানা ধরনের বই হাতে নিয়ে দেখা যায়। কিন্তু সেখানে তীব্র আওয়াজে ছন্দপতন ঘটেছে মাঝেমধ্যেই। তাই নির্দিষ্ট মাত্রার মধ্যে সাউন্ডবক্স ব্যবহার হোক। বন্ধ হোক শব্দদানবের দাপাদাপি।
পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর দে বলেন, তীব্র আওয়াজ নিয়ে পাঠকদের বেশকিছু অভিযোগ এসেছে। আওয়াজ কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবনাচিন্তা করব। পাঠক-প্রকাশক কারও যাতে আলাপচারিতায় যাতে কোনোরকম অসুবিধা না-হয়, সেই দিকটা গুরুত্ব দিয়েই ভাবা হবে। অন্যদিকে, বইমেলায় আগত প্রবীণ ব্যক্তিরা গিল্ডকে জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্টলে র্যাম্প না-থাকার ফলে তাঁদের ঢুকতে বেরতে একটু সমস্যা হয়েছে। এজন্য বিশেষ করে অসুবিধা হয়েছে কিছু স্টলে হুইল চেয়ার নিয়ে ঢুকতে গিয়ে। বিষয়টি গিল্ড কর্তৃপক্ষেরও পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তাঁরা চান, বড় এবং নামী স্টলগুলিতে যেখানে বইপ্রেমীদের ভিড় বেশি হয়ে থাকে সেখানে আগামীবার যাতে র্যাম্পের ব্যবস্থা করা যায়, তার চেষ্টা তাঁরা করবেন।



