নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: তীব্র যানজট শহরে। দু’ধারে মানুষের ভিড়। আশপাশ আচমকা কেঁপে উঠল বিকট শব্দে। দিনের পর দিন বারাসত, মধ্যমগ্রামে বিকট শব্দের মোটরবাইকের দাপাদাপিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ থেকে পথচারীরা। মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও দেখে গাঁটের মোটা টাকা খরচ করে বাইকে ‘মডিফায়েড’ সাইলেন্সার বসানো হচ্ছে। তাতে আওয়াজ কমে না, উল্টে বিকট আওয়াজ হয়। অতিষ্ঠ জনজীবন। পুলিসের নাকের ডগা দিয়ে ঝড়ের গতিতে বেরিয়ে যায় বিকট শব্দের বাইক। কিন্তু, কোনও হেলদোল নেই ঊর্দিধারীদের!
Advertisement
উল্লেখযোগ্যভাবে এই বাইকচালকদের সিংহভাগের মাথায় থাকে না হেলমেট। এদিক-ওদিক করে তাঁরা সামনের গাড়িকে টপকে যাওয়ার চেষ্টা করে সর্বক্ষণ। ফলে, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন এলাকাবাসীরা। বারাসত শহরের ডাকবাংলো, কলোনি মোড়, চাঁপাডালি, স্টেশন রোড, টাকি, যশোর রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সন্ধ্যার পর থেকেই মোটরবাইকের এই দাপাদাপি শুরু হয়। রাত পর্যন্ত তা চলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হেলমেট না পরেই এই বাইক চালানো হচ্ছে। শনি ও রবিবার বাইকের দাপাদাপি থাকে বেশি। ২০ থেকে ২৮ বছরের যুবকরাই মূলত এভাবে বাইক চালায়। শুধু গতি নয়, বাইক নিয়ে রাস্তায় স্টান্টও করে তাঁরা। শ্রেয়া রক্ষিত নামে বারাসতের এক শিক্ষিকা বলেন, অল্পবয়সিরা মূলত সোশ্যাল মিডিয়া দেখে বাইকের সাইলেন্সার বদল করে। কোনওটির আওয়াজ সরু, কোনওটির গুলি চলার মতো। মডিফায়েড সাইলেন্সারের দামও বেশ। আর এর শব্দে আমরা অতিষ্ঠ। শব্দের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ছেন ওঁরা। মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা আইটি কর্মী দেবলীনা মাইতি বলেন, তীব্র আওয়াজে পথচারীরা অতিষ্ঠ। বেশি সমস্যায় পড়ছেন প্রবীণরা। ইউটিউব ভিডিও দেখে নিজেরাই ইঞ্জিনিয়ার হয়ে উঠেছে। মোটা টাকা খরচ করে সাইলেন্সার লাগিয়ে মানুষকে বিরক্ত করছে। পুলিসের এ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
বিষয়টি সম্পর্কে জেলা ট্রাফিক পুলিসের এক কর্তা বলেন, এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমস্ত ওসিদের নির্দেশ দেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হেলমেট না পরেই এই বাইক চালানো হচ্ছে। শনি ও রবিবার বাইকের দাপাদাপি থাকে বেশি। ২০ থেকে ২৮ বছরের যুবকরাই মূলত এভাবে বাইক চালায়। শুধু গতি নয়, বাইক নিয়ে রাস্তায় স্টান্টও করে তাঁরা। শ্রেয়া রক্ষিত নামে বারাসতের এক শিক্ষিকা বলেন, অল্পবয়সিরা মূলত সোশ্যাল মিডিয়া দেখে বাইকের সাইলেন্সার বদল করে। কোনওটির আওয়াজ সরু, কোনওটির গুলি চলার মতো। মডিফায়েড সাইলেন্সারের দামও বেশ। আর এর শব্দে আমরা অতিষ্ঠ। শব্দের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ছেন ওঁরা। মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা আইটি কর্মী দেবলীনা মাইতি বলেন, তীব্র আওয়াজে পথচারীরা অতিষ্ঠ। বেশি সমস্যায় পড়ছেন প্রবীণরা। ইউটিউব ভিডিও দেখে নিজেরাই ইঞ্জিনিয়ার হয়ে উঠেছে। মোটা টাকা খরচ করে সাইলেন্সার লাগিয়ে মানুষকে বিরক্ত করছে। পুলিসের এ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
বিষয়টি সম্পর্কে জেলা ট্রাফিক পুলিসের এক কর্তা বলেন, এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমস্ত ওসিদের নির্দেশ দেওয়া হবে।



