নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুলিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে স্পিডক্যামকে ফাঁকি দিয়ে ফ্লাইওভারে বাইক রেসিং। খাস কলকাতায় বেপরোয়া বাইক চালকদের এই প্রবণতা কড়া হাতে দমনে তৎপর হল লালবাজার। সোমবার ‘বর্তমান’-এ প্রকাশিত খবরের জেরে স্পেশাল টিম তৈরি করে রাস্তায় নামছে কলকাতা পুলিস। সোমবারই পুলিস কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা বাহিনীকে নির্দেশ দেন, নম্বর প্লেট ঢেকে কেউ বাইক চালালে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিসকর্তা জানিয়েছেন, এনিয়ে থানা ও ট্রাফিক বিভাগকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে, বাইকের নম্বর প্লেট গাম টেপ দিয়ে ঢেকে দিচ্ছে এক যুবক। এরপরেই রেস চলছে প্রায় ১৫০ কিলোমিটারের বিপজ্জনক গতিতে। পুলিসের স্পিড ডিটেকশন ক্যামেরার নজর এড়িয়ে যাচ্ছে তারা। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই নড়েচড়ে বসে লালবাজার। সোমবার কলকাতা পুলিসের সদর দপ্তরে সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ হাফ ম্যারাথন নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন সিপি। সেখানেই শহরের পথ নিরাপত্তা নিয়ে বেশ কিছু তথ্য দেন। মনোজ ভার্মা বলেন, ২০২৪ সালে শহরে পথ দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৯১ জনের। ২০২৩ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ১৫৯। সিপির দাবি, ২০২৪ সালে কলকাতা পুলিসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাঙড় ডিভিশন। অতিরিক্ত এলাকা জুড়ে যাওয়ায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভাঙড় জুড়লেই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে গতবছরের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে ফেটাল (প্রাণঘাতী) দুর্ঘটনা। এর কারণ কাঁটাছেড়া করতে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছেন লালবাজারের ট্রাফিক বিভাগ।
এদিন ওই মঞ্চ থেকেই সিপি বলেন, ‘শুধুমাত্র পথে ট্রাফিক পুলিসের সংখ্যা বাড়ালেই দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। পথচারী ও গাড়িচালকদের সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ট্রাফিকবিধি মেনে গাড়ি চালালে সবাই নিরাপদে থাকবেন। সেখানেই বেআইনিভাবে নম্বর প্লেট ঢেকে বাইক চালানোর প্রসঙ্গ তোলেন মনোজ ভার্মা। সাংবাদিক বৈঠকের পরই ট্রাফিক বিভাগের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের বিষয়টি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সন্ধ্যাতেই বেপরোয়া চালকদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট খতিয়ে দেখতে শুরু করে ট্রাফিক বিভাগের স্পেশাল রেইড শাখা।
অন্যদিকে, এদিন লালবাজারে সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ হাফ ম্যারাথনের পোর্টাল উদ্বোধন করেন সিপি। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি রেড রোডে অনুষ্ঠিত হবে হাফ ম্যারাথনের পঞ্চম সংস্করণ। ২১ কিমি, ১০ কিমি ও ৫ কিমি— এই তিন বিভাগে দৌড়বেন অংশগ্রহণকারীরা। থাকছে বিশেষ পুরস্কারমূল্য। সোমবার থেকেই রেজিস্ট্রেশন চালু হয়ে গিয়েছে।
এদিন ওই মঞ্চ থেকেই সিপি বলেন, ‘শুধুমাত্র পথে ট্রাফিক পুলিসের সংখ্যা বাড়ালেই দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। পথচারী ও গাড়িচালকদের সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ট্রাফিকবিধি মেনে গাড়ি চালালে সবাই নিরাপদে থাকবেন। সেখানেই বেআইনিভাবে নম্বর প্লেট ঢেকে বাইক চালানোর প্রসঙ্গ তোলেন মনোজ ভার্মা। সাংবাদিক বৈঠকের পরই ট্রাফিক বিভাগের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের বিষয়টি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সন্ধ্যাতেই বেপরোয়া চালকদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট খতিয়ে দেখতে শুরু করে ট্রাফিক বিভাগের স্পেশাল রেইড শাখা।
অন্যদিকে, এদিন লালবাজারে সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ হাফ ম্যারাথনের পোর্টাল উদ্বোধন করেন সিপি। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি রেড রোডে অনুষ্ঠিত হবে হাফ ম্যারাথনের পঞ্চম সংস্করণ। ২১ কিমি, ১০ কিমি ও ৫ কিমি— এই তিন বিভাগে দৌড়বেন অংশগ্রহণকারীরা। থাকছে বিশেষ পুরস্কারমূল্য। সোমবার থেকেই রেজিস্ট্রেশন চালু হয়ে গিয়েছে।



