Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬

‘পক্ষপাতদুষ্ট’ কমিশন, চিঠি দেশের প্রধান বিচারপতিকে, বাদল অধিবেশনের আগে ঐক্যবদ্ধ ‘ইন্ডিয়া’

বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চ প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দিল। বিস্তারিত পড়ুন।

‘পক্ষপাতদুষ্ট’ কমিশন, চিঠি দেশের প্রধান বিচারপতিকে, বাদল অধিবেশনের আগে ঐক্যবদ্ধ ‘ইন্ডিয়া’
  • ১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কোথাও ‘অপারেশন লোটাস’ তো কোথাও আবার ‘অপারেশন টাইগার’! বিজেপি রাজ্যে রাজ্যে দল ভাঙাচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। সংসদীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক এই প্রবণতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ  লড়াইয়ের বার্তা বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, ২৩টি বিরোধী দল ও একজন নির্দল সাংসদ যৌথভাবে চিঠি লিখেছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে। চিঠিতে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) এবং  নির্বাচন কমিশনের ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আচরণ ও ভোটের ফলাফলে ‘কারসাজি’র মতো বিষয়গুলিতে ‘বিচার বিভাগের বিবেকে’র কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। এব্যাপারে ডিএমকে এবং আপকেও পাশে পেয়েছে জোট। ফলে সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনের আগে রীতিমতো চাঙ্গা কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’। এব্যাপারে বিরোধী শিবিরকে একহাত নিয়েছে বিজেপি। তারা বলেছে, এসআইআর নিয়ে ‘ইন্ডিয়া’ শিবির চূড়ান্ত ভণ্ডামি করছে। যে রাজ্যে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা হচ্ছে সেখানে সমর্থন করছে। যেখানে হারের ভয় পাচ্ছে সেখানে অজুহাত দিচ্ছে।

Advertisement

উল্লেখ্য,  এদিনই দিল্লি, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, মেঘালয় ও ঝাড়খণ্ড-এই  চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এমন দিনেই প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে বিরোধী শিবির ‘ঐক্যবদ্ধ’ লড়াইয়ের বার্তা দিল।  চিঠিটিতে স্বাক্ষর করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, রাহুল গান্ধী, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, জেএমএম প্রধান তথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা, শিবসেনা (ইউবিটি)-র উদ্ধব থ্যাকারে এবং আরজেডি-র তেজস্বী যাদব সহ অন্যান্যরা। কংগ্রেসের দাবি, সংহতি, ঐক্য ও প্রতিরোধ— তিন মন্ত্রে বিরোধীরা একজোট। গত ৮ জুন ২২টি বিরোধী দল ও নির্দল সাংসদ কপিল সিবালের উপস্থিতিতে রাহুল গান্ধীর পরামর্শে যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই এই চিঠি লেখা হয়েছে। সূত্রের খবর, ওই  বৈঠকে উপস্থিত থাকলেও চিঠিতে স্বাক্ষর করেনি হনুমান বেনিওয়ালের আরএলপি। তবে ডিএমকে ও আপ নতুন করে এই বিরোধী উদ্যোগে শামিল হওয়ায় বাদল অধিবেশনের আগে ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরের মনোবল নিশ্চিতভাবেই বাড়ল। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, আপ ও ডিএমকেও ওই  চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে। উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুতে জোট ভেঙে কংগ্রেস টিভিকে-র নেতৃত্বাধীন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সরকারে যোগ দেওয়ায় ডিএমকে ক্ষুব্ধ হয়েছিল। আবার ২০২৪ সালে ‘ইন্ডিয়া’ ছেড়েছিল কেজরিওয়ালের আপ।     

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ