Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬

বঙ্গে অপারেশন লোটাসের দায়িত্বে ভূপেন্দ্র, নজরে তৃণমূল কংগ্রেসের আরও এক সাংসদ

অপারেশন লোটাসের দায়িত্বে ভূপেন্দ্র যাদব। তৃণমূলের আরও এক সাংসদকে ভাঙানোর চেষ্টা চলছে। কেন এই খবর গুরুত্বপূর্ণ? বিস্তারিত পড়ুন।

বঙ্গে অপারেশন লোটাসের দায়িত্বে ভূপেন্দ্র, নজরে তৃণমূল কংগ্রেসের আরও এক সাংসদ
  • ১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপ স্বর্ণকরা, নয়াদিল্লি: কোয়েল মল্লিকের ইস্তফার পর কি আরো কেউ আছেন ‘অপারেশন লোটাসে’র আতশকাচে? রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। বাংলায় ভোটে তৃণমূল গোহারা হারতেই গত তিন মাসে লোকসভার ২০ জন সাংসদ বিদ্রোহী হয়েছেন। যোগ দিয়েছেন এনসিপিআই’তে। রাজ্যসভায় তিনজন ইস্তফা দিয়ে ফের বিজেপির টিকিটে আসছেন সংসদের উচ্চকক্ষে। আজই তাঁরা নির্বাচিত বলে ঘোষণা হয়ে যাবে। কারণ, বিজেপি ছাড়া কেউ প্রার্থী দেয়নি। আজ ১৭ জুলাই মনোনয়ন প্রত্য‌হা঩রের শেষদিন। ফলে আর আগামী ২৪ জুলাই ভোট হওয়ার প্রয়োজন নেই। 

Advertisement

এরপর? আর কেউ কি ইস্তফা দেবেন? পিছু ছাড়ছে না প্রশ্ন। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভাঙানোর খেলা জারি রাখছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবই এর মূল কারিগর। পরিকল্পনা শুভেন্দু অধিকারীর। সায় রয়েছে অমিত শাহর। মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রয়েছেন বিজেপির দুই সাংসদ—নিশিকান্ত দুবে এবং সি এম রমেশ। সেই মতো রাজ্যসভার আরও এক তৃণমূল সাংসদকে ভাঙানোর চেষ্টা চলছে। সংখ্যালঘু ওই সাংসদের কাছে ফোনও গিয়েছে। লোভনীয় ‘অফার’ও দেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। ফোনের সেই কথোপকথন তৃণমূলের ওই সাংসদ রেকর্ড করে রেখেছেন বলেও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে। 
ফলে বিজেপি যে ‘অপারেশন লোটাস’ জারি রেখেছে, বলাই বাহুল্য। তাই আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনে বিজেপি বিরোধী মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’র শক্তি অক্ষত রাখা বিরোধীদের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ। বিশেষত, এলাকা পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে ১৩১তম সংবিধান সংশোধন বিলটি আটকানোর বিষয়ে। যদিও বিলটি আদৌ আনা হবে কি না, নিশ্চিত নয়। সরকারের প্রাথমিক তালিকায় বিলটি নেই। এক দেশ এক নির্বাচন করানোর লক্ষ্যে ১২৯তম সংবিধান সংশোধন বিলও তালিকার বাইরে। 
বাদল অধিবেশনে পাঁচটি নতুন বিল আনসে। প্রতিটিই সংশোধনী বিল। ইনকাম ট্যাক্স সংশোধনী, সুপ্রিম কোর্ট জাজেস, রেজিস্ট্রেশন অব বার্থ অ্যান্ড ডেথস, প্রিভেনশন অব ইনসাল্ট টু ন্যাশনাল অনার এবং এমএসএমই ডেভলপমেন্ট বিল। এছাড়া লোকসভায় পেশ হওয়া এফসিআরএ এবং বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল দু’টিও পাশের চেষ্টা হবে। তবে জনস্বার্থ বিরোধী কোনো বিলই পাশ করাতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ। সংসদে বিজেপি সরকারকে কোণঠাসা এবং বিরোধী জোট এককাট্টা রাখার স্ট্র্যাটেজি বৈঠকে কংগ্রেস সংসদীয় দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশ, ‘মহাজোট ইন্ডিয়ার প্রত্যেকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগে সক্রিয় হন। না হলেই বিজেপি সিঁধ কাটবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ