নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভুটানের শিল্পাঞ্চলের দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে বিশেষত উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির উপর। রাজ্যসভায় এ কথা মেনে নিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু ছ’বছরে শুধুমাত্র প্রতিনিধি দল পাঠানো এবং এই সংক্রান্ত বৈঠকের আয়োজন ছাড়া সমস্যার সমাধানে বিশেষ কিছুই হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের জবাবেই তা স্পষ্ট হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এই ব্যাপারে বিদেশ মন্ত্রকের কাছে লিখিত প্রশ্ন করেন বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তারই লিখিত জবাবে বিষয়টি মেনে নিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।
Advertisement
এরই পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বিদেশ রাষ্ট্রমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং লিখিতভাবে জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের আগস্ট মাসেই ভুটানের সঙ্গে এই বিষয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। টি বোর্ড অব ইন্ডিয়া এবং ভুটান সরকারের শ্রম দপ্তরের এক যৌথ প্রতিনিধি দলে ওই স্থানে গিয়েওছিল। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সুপারিশ ছিল যে, এনভায়রনমেন্ট কমিশন অব ভুটান, টি বোর্ড অব ইন্ডিয়া, জলশক্তি মন্ত্রক এবং অন্যান্য পরিবেশ বিশেষজ্ঞ নিয়ে আলাদাভাবে ‘সাইট ভিজিট’ করানো হোক। পরবর্তী ক্ষেত্রে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে বাণিজ্য সংক্রান্ত সচিব পর্যায়ের বৈঠকে (সিএসএলএম) ভারত সরকার ভুটানকে সংশ্লিষ্ট সুপারিশ মতো পদক্ষেপের অনুরোধ জানায়। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। এদিন বিদেশমন্ত্রকের কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভুটান এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সীমান্ত জেলা সমন্বয় বৈঠকে প্রসঙ্গটি আবারও তোলা হয়। গত সেপ্টেম্বরে বাণিজ্য সংক্রান্ত সচিব পর্যায়ের বৈঠকেও ভারত বিষয়টি নিয়ে ভুটানের সঙ্গে কথা বলেছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর ফলাফল কী দাঁড়িয়েছে? এদিন তার কোনও উল্লেখ অবশ্য সংশ্লিষ্ট লিখিত জবাবে করেনি বিদেশ মন্ত্রক।



