সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের মামলায় দিনহাটার ভেটাগুড়ি থেকে সিবিআই ১১ জনকে ধরেছিল। কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিটের ডিভিশন বেঞ্চ শর্ত সাপেক্ষে পাঁচজনকে জামিন দিয়েছে। আদলত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জুলাই মাসে এরা গ্রেপ্তার হয়েছিল। মামলায় মোট ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছিল। পাঁচজন হল রতন রায় সরকার, প্রণব বরকাইত, নকুল রায় সরকার, প্রীতম রায় সরকার, শাহনুর হোসেন। এদের সকলের বাড়ি ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
Advertisement
ভোট পরবর্তী হিংসায় ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ফুটানিবাজার সংলগ্ন এলাকায় নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছিল মাতালহাট অঞ্চলের ভুতকুড়ার বাসিন্দা শ্রীধর দাসকে। বেশকিছু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় ওই বিজেপি কর্মীর। ঘটনার তদন্তে নেমে সিবিআই ইতিমধ্যেই অনেককেই ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই তাদের গ্রেপ্তার করে।
বিজেপির কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু সোমবার বলেন, একুশের ভোটের পর আমাদের দলের কর্মীকে মারধর করে খুন করা হয়েছে। সিবিআই তদন্ত করছে। দোষীরা নিশ্চই শাস্তি পাবে। তৃণমূলের ভেটাগুড়ি-২ অঞ্চল সভাপতি সুনীল রায় সরকার বলেন, মিথ্যা মামলায় আমার কয়েকজন ভাই সহ মোট ১১ জনকে সিবিআই গ্রেপ্তার করেছিল। এদিন পাঁচজনের জামিনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী অর্জুন চৌধুরী বলেন, সিবিআই আদালতে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ পেশ করতে পারেনি। ঘটনায় প্রায় আড়াই বছর ধরে জেল হেফাজতে থাকা ১১ জনেরই জামিনের জন্য সোমবার আমরা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিটের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানাই। আদালত পাঁচজনের জামিন মঞ্জুর করেছে।
সিবিআই-এর পক্ষে ডেপুটি সলিসিটার জেনারেল সুদীপ্ত মজুমদার বলেন, ঘটনায় যারা মূল অভিযুক্ত তাদের জামিনের আবেদন এদিন নাকচ করে দিয়েছে আদালত। পাঁচজনের শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। জামিনের শর্তের মধ্যে বলা হয়েছে, মামলার তারিখ ছাড়া তারা কোচবিহারে ঢুকতে পারবে না। সপ্তাহে একদিন করে শিলিগুড়িতে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে।
বিজেপির কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু সোমবার বলেন, একুশের ভোটের পর আমাদের দলের কর্মীকে মারধর করে খুন করা হয়েছে। সিবিআই তদন্ত করছে। দোষীরা নিশ্চই শাস্তি পাবে। তৃণমূলের ভেটাগুড়ি-২ অঞ্চল সভাপতি সুনীল রায় সরকার বলেন, মিথ্যা মামলায় আমার কয়েকজন ভাই সহ মোট ১১ জনকে সিবিআই গ্রেপ্তার করেছিল। এদিন পাঁচজনের জামিনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী অর্জুন চৌধুরী বলেন, সিবিআই আদালতে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ পেশ করতে পারেনি। ঘটনায় প্রায় আড়াই বছর ধরে জেল হেফাজতে থাকা ১১ জনেরই জামিনের জন্য সোমবার আমরা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিটের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানাই। আদালত পাঁচজনের জামিন মঞ্জুর করেছে।
সিবিআই-এর পক্ষে ডেপুটি সলিসিটার জেনারেল সুদীপ্ত মজুমদার বলেন, ঘটনায় যারা মূল অভিযুক্ত তাদের জামিনের আবেদন এদিন নাকচ করে দিয়েছে আদালত। পাঁচজনের শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। জামিনের শর্তের মধ্যে বলা হয়েছে, মামলার তারিখ ছাড়া তারা কোচবিহারে ঢুকতে পারবে না। সপ্তাহে একদিন করে শিলিগুড়িতে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে।



