বেঙ্গালুরু ও নয়াদিল্লি: যে প্রতিশ্রুতি রাখতে পারবেন, সেইটুকুই মানুষের সামনে ঘোষণা করুন। কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের উদ্দেশে এমনই কড়া বার্তা দিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সেই সময় মঞ্চে উপস্থিতি রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়াও। কর্ণাটক কংগ্রেসের উদ্দেশে খাড়্গে বলেন, ‘যতটুকু খেতে পারবেন, সেটুকুই মুখে নিন।’ কর্ণাটকে নির্বাচনী প্রচারের সময় পাঁচ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কংগ্রেস। সম্প্রতি শিবকুমার জানিয়েছিলেন, কংগ্রেসের দেওয়া পাঁচটি প্রতিশ্রুতির মধ্যে ‘শক্তি প্রকল্প’ নিয়ে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার খাড়্গে কর্ণাটকে গিয়ে দলের নেতাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে কড়া বার্তা দেন। পরিকল্পনাহীন প্রতিশ্রুতি পালন করতে গিয়ে পরে আর্থিক সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছিলেন তিনি।
Advertisement
খাড়্গের মন্তব্যের পরেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী জানান, কংগ্রেস যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে পালন করতে পারে না, তা মানুষের কাছে ‘বাজেভাবে ফাঁস’ হয়ে গিয়েছে। এদিন এক্স হ্যান্ডলে ‘কংগ্রেসের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে একের পর এক পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। খাড়্গের সাম্প্রতিক মন্তব্যই ছিল মোদির লক্ষ্য।
এদিন মোদি বলেন, ‘কংগ্রেস বুঝতে পেরেছে যে, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ। কিন্তু সেগুলি পালন করা কঠিন বা অসম্ভব। একের পর এক প্রচারে ওরা এমন সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যেগুলি পালন করা যাবে না বলে কংগ্রেস নেতা-কর্মীরাও জানতেন। এখন সবকিছুই মানুষের সামনে চলে এসেছে।’ প্রধানমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গনার মতো কংগ্রেস শাসিত রাজ্যে উন্নয়ন ও আর্থিক স্বাস্থ্যের হার খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে গরিব, তরুণ প্রজন্ম, কৃষক ও মহিলাদের। এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা নির্বাচনে কংগ্রেসের হারের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন মোদি। তাঁর বক্তব্য, ‘সম্প্রতি আমরা দেখেছি, হরিয়ানার মানুষ কীভাবে ওদের মিথ্যাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা স্থিতিশীল ও উন্নয়নের জন্যই সরকার বেছে নিয়েছেন।’
এদিন মোদি বলেন, ‘কংগ্রেস বুঝতে পেরেছে যে, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ। কিন্তু সেগুলি পালন করা কঠিন বা অসম্ভব। একের পর এক প্রচারে ওরা এমন সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যেগুলি পালন করা যাবে না বলে কংগ্রেস নেতা-কর্মীরাও জানতেন। এখন সবকিছুই মানুষের সামনে চলে এসেছে।’ প্রধানমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গনার মতো কংগ্রেস শাসিত রাজ্যে উন্নয়ন ও আর্থিক স্বাস্থ্যের হার খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে গরিব, তরুণ প্রজন্ম, কৃষক ও মহিলাদের। এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা নির্বাচনে কংগ্রেসের হারের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন মোদি। তাঁর বক্তব্য, ‘সম্প্রতি আমরা দেখেছি, হরিয়ানার মানুষ কীভাবে ওদের মিথ্যাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা স্থিতিশীল ও উন্নয়নের জন্যই সরকার বেছে নিয়েছেন।’



