Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

ভোটে জিততে দুর্নীতির টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগই হাতিয়ার রাজ্য বিজেপি সভাপতির

ভোটে জিততে দুর্নীতির টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগই হাতিয়ার রাজ্য বিজেপি সভাপতির
  • ১৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, গিরিডি: ঝাড়খণ্ডে ২০২৪-এর মহারণে কি জিতবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মারান্ডি? বিধানসভা ভোটের ঝাড়খণ্ডে আপাতত এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন! কিন্তু রাজ্যের বিজেপি সভাপতি তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মতো ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীর জয় নিয়ে সংশয় বা প্রশ্ন উঠছে কেন? ধানওয়ারের বেশ কিছু ভোটারের সঙ্গে কথা বলতেই অবশ্য স্পষ্ট হল মারান্ডির জয় নিয়ে সংশয়ের আসল কারণ। তাঁদের মতে, এলাকার উন্নয়ন নিয়ে মারান্ডির আলাদা করে কিছু অভিযোগ করার নেই। ঝাড়খণ্ডের অন্যান্য এলাকার মতো এই কেন্দ্রেও সমান গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির সুবিধা পৌঁছে দিয়েছে হেমন্ত সোরেনের সরকার। অগত্যা রাজ্যের অন্যান্য অংশের মতো এখানেও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ও বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগই মারান্ডির প্রধান হাতিয়ার। এই পরিস্থিতিতে হেমন্তের উন্নয়নের রাজনীতিকে টপকে ‘মারান্ডি ফ্যাক্টর’ কতটা কাজ করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 
Advertisement
গত বুধবার সকালে গিরিডিতে মারান্ডির বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল, দলের কর্মীরা একে একে আসছেন। শলাপরামর্শ চলছে। এসবের মাঝেই ঝাড়খণ্ডের চলতি বিধানসভা ভোট নিয়ে তাঁর মমতামত জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বললেন, ‘লোকসভা ভোটের নিরিখে আমরা ৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছি। এবার তার থেকে ভালো ফল হবে বলেই আশা করছি।’ নিজের জয়ের ব্যাপারে কতটা আত্মবিশ্বাসী তিনি? বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার দাবি, ‘ওরা (ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা) যে কী হারে দুর্নীতি করেছে, তা সবার জানা। সব তো দুবাইতে বিনিয়োগ হচ্ছে। মানুষ এসব জানে না? তাহলে মানুষ ওদের ভোট দেবে বলে মনে করেন?’ কিন্তু বর্তমান সরকার যেসব জনহিতকর প্রকল্প গ্রহণ করেছে, তার তো একটা প্রভাব নিশ্চয়ই আছে? মারান্ডির পাল্টা জবাব, ‘আমরাও তো বলেছি মহিলাদের মাসে মাসে ২১০০ টাকা করে দেব। তবে গোটা বিষয়টাই সম্পূর্ণভাবে মানুষের উপর নির্ভর করছে। আমাদের কাজ হল মানুষের কাছে নিজেদের কথা তুলে ধরা। সেটাই আমরা করে চলেছি।’
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই কেন্দ্রে জেএমএম এবং সিপিআই(এমএল) লিবারেশন, দুই দলই প্রার্থী দেওয়ায় কিছুটা হলেও ‘অ্যাডভান্টেজ’ পেতে চলেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।  ২০১৯ সালে এই কেন্দ্র থেকে জেভিএম প্রার্থী হিসেবে হয়ে জিতেছিলেন মারান্ডি। বিজেপি প্রার্থীকে প্রায় ১৮ হাজার ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালে জেভিএম দলটাই মিশে যায় বিজেপির সঙ্গে। তাই এবার তাঁর লড়াই জেএমএম এবং সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের বিরুদ্ধে।
সম্পর্কিত সংবাদ