সংবাদদাতা, কান্দি: ভাষা শহিদ আবুল বরকতের গ্রামে রাস্তা, আলো, পানীয় জলের সমস্যা মিটলেও চাহিদা আরও রয়েছে। বিশেষ করে শহিদ স্মরণে মিউজিয়াম ও উচ্চতর শিক্ষাকেন্দ্র চাইছেন বাসিন্দারা। শহিদের জন্মভিটে সালার থানার বাবলা গ্রামে এবছরও একুশের ভাষাদিবস পালন হতে চলেছে। সেখানেই তাঁরা ফের একবার নিজেদের দাবি তুলে ধরবেন।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ভাষা শহিদ আবুল বরকত ওরফে আবাইয়ের জন্ম ১৯২৭ সালের ১৩ জুন, বাবলা গ্রামে। ১৯৪৫ সালে স্থানীয় তালিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি এন্ট্রাস পাশ করেন। এরপর বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে ভর্তি হন। পরে বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ভাষা আন্দোলনে শামিল হয়ে পাকিস্তানি ফৌজের গুলিতে শহিদ হন।
এরপর আটের দশকে বাবলা গ্রামের বাসিন্দারা প্রথম শহিদ স্মরণসভা করেন। নয়ের দশকের শেষের দিকে গ্রামে ভাষাদিবস পালনে রাজনীতির প্রবেশ ঘটে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তৎকালীন বাম সরকারের নেতামন্ত্রীদের হাতে চলে যায় স্মরণসভার রাশ। ২০০০ সালের পর বামফ্রন্টের রাশ আলগা হয়ে পড়ে। কংগ্রেসের আধিপত্য দেখা যায়। তবে সম্প্রতি স্মরণসভা নিয়ন্ত্রণ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এ নিয়ে বাসিন্দাদের তেমন আপত্তি নেই। তাঁদের কাছে গ্রামের উন্নয়নই হল প্রধান ব্যাপার।
বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের পর গ্রামের অধিকাংশ রাস্তা কংক্রিটের হয়েছে। প্রধান রাস্তার পাশে নিকাশি নালাও তৈরি করা হয়েছে। আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা থেকে আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সরকারি বাড়িও পেয়েছেন অনেকে। গ্রামের প্রতিটি পরিবারই রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।
তবে তাঁদের আরও চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে শহিদ স্মরণে গ্রামে একটি মিউজিয়াম তৈরির দাবি জানিয়েছেন। সঙ্গে শহিদ আবাস থেকে কলকাতা-বাবলা সরকারি বাসের দাবি করা হয়েছে। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা মন্মথ শেখ বলেন, ভাষাকে কেন্দ্র করেই আমাদের আবুল শহিদ হয়েছেন। তাই তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে গ্রামে একটি উচ্চতর শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি হলে তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হবে। আগামী ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে আমরা এটাই দাবি করব।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতিবছর ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রীরা এসে থাকেন। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন। যেগুলির অধিকাংশ পূরণ হয়নি। তবে বাসিন্দারা আশা ছাড়েননি। এবারের ফের একবার পুরনো প্রতিশ্রুতিগুলি অতিথিদের কাছে তুলে ধরবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তহিদুল শেখ, তালেব শেখ, আকবর শেখ প্রমুখ জানিয়েছেন, তাঁরাও জানেন যে সব প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না। তবুও গ্রামের অনেক সমস্যা মিটেছে। বাকিগুলিও মিটবে বলে আশাবাদী তাঁরা।
এদিকে এবছরও বাবলা গ্রামে ২০ ফেব্রয়ারি মধ্যরাত থেকে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হবে। চলবে তিনদিন ধরে। আয়োজক কমিটির সদস্য রবি শেখ বলেন, তিনদিনের এই অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক থেকে সঙ্গীত শিল্পীরা আসবেন। এছাড়াও বহু বিশিষ্টকে অনুষ্ঠানে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। গ্রামে তিনদিন ধরে ভাষা মেলাও বসবে।
এরপর আটের দশকে বাবলা গ্রামের বাসিন্দারা প্রথম শহিদ স্মরণসভা করেন। নয়ের দশকের শেষের দিকে গ্রামে ভাষাদিবস পালনে রাজনীতির প্রবেশ ঘটে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তৎকালীন বাম সরকারের নেতামন্ত্রীদের হাতে চলে যায় স্মরণসভার রাশ। ২০০০ সালের পর বামফ্রন্টের রাশ আলগা হয়ে পড়ে। কংগ্রেসের আধিপত্য দেখা যায়। তবে সম্প্রতি স্মরণসভা নিয়ন্ত্রণ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এ নিয়ে বাসিন্দাদের তেমন আপত্তি নেই। তাঁদের কাছে গ্রামের উন্নয়নই হল প্রধান ব্যাপার।
বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের পর গ্রামের অধিকাংশ রাস্তা কংক্রিটের হয়েছে। প্রধান রাস্তার পাশে নিকাশি নালাও তৈরি করা হয়েছে। আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা থেকে আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সরকারি বাড়িও পেয়েছেন অনেকে। গ্রামের প্রতিটি পরিবারই রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।
তবে তাঁদের আরও চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে শহিদ স্মরণে গ্রামে একটি মিউজিয়াম তৈরির দাবি জানিয়েছেন। সঙ্গে শহিদ আবাস থেকে কলকাতা-বাবলা সরকারি বাসের দাবি করা হয়েছে। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা মন্মথ শেখ বলেন, ভাষাকে কেন্দ্র করেই আমাদের আবুল শহিদ হয়েছেন। তাই তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে গ্রামে একটি উচ্চতর শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি হলে তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হবে। আগামী ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে আমরা এটাই দাবি করব।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতিবছর ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রীরা এসে থাকেন। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন। যেগুলির অধিকাংশ পূরণ হয়নি। তবে বাসিন্দারা আশা ছাড়েননি। এবারের ফের একবার পুরনো প্রতিশ্রুতিগুলি অতিথিদের কাছে তুলে ধরবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তহিদুল শেখ, তালেব শেখ, আকবর শেখ প্রমুখ জানিয়েছেন, তাঁরাও জানেন যে সব প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না। তবুও গ্রামের অনেক সমস্যা মিটেছে। বাকিগুলিও মিটবে বলে আশাবাদী তাঁরা।
এদিকে এবছরও বাবলা গ্রামে ২০ ফেব্রয়ারি মধ্যরাত থেকে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হবে। চলবে তিনদিন ধরে। আয়োজক কমিটির সদস্য রবি শেখ বলেন, তিনদিনের এই অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক থেকে সঙ্গীত শিল্পীরা আসবেন। এছাড়াও বহু বিশিষ্টকে অনুষ্ঠানে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। গ্রামে তিনদিন ধরে ভাষা মেলাও বসবে।



