ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: দীর্ঘ অপেক্ষার পর কাশ্মীরে শুরু তুষারপাত। বরফ দেখতে উপত্যকায় ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা। তবে শুধু পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে নয়, তুষারপাতের পর কাশ্মীরের কয়েক হাজার ফলচাষি ও কৃষকদের মুখেও হাসি ফুটেছে। তাঁদের আশা, এর ফলে চলতি বছরে ফসলের উত্পাদন ভালো হবে। টানা ছয় মাস শুখা মরশুমের সাক্ষী থেকেছে উপত্যকা। কোনও বৃষ্টি বা তুষারপাত না হওয়ার কারণে কৃষকদের মধ্যে আশঙ্কা বাড়ছিল। তাঁদের অনেকেই জানিয়েছেন, বৃষ্টি বা তুষারপাত না হলে মাটির আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে আপেল চাষ সহ বিভিন্ন রবিশস্যের উত্পাদনে প্রভাব পড়ে। ফসলের গুণমান তো বটেই, পরিমাণও এর উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতিতে গত শুক্রবারের তুষারপাত স্বস্তি এনে দিয়েছে।
Advertisement
সোপিয়ানের ফল ব্যবসায়ী মহম্মদ ইউসুফ ভাট বলেন, ‘ছ’মাস ধরে বৃষ্টি হয়নি। যদি এই শুকনো মরশুম চলতেই থাকত, তাহলে বাগান ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়ত।’ তিনি জানান, বেশিরভাগ ফলবাগান বৃষ্টির জলের উপর নির্ভরশীল। সেচের জন্য জলের অভাব দেখা গিয়েছিল। তুষারপাতের ফলে এখন পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি পোকামাকড়ের আক্রমণের আশঙ্কাও কমেছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ডঃ সুহেব জানান, যদি টানা শুকনো মরশুম চলতে থাকত, তাহলে সামগ্রিকভাবে কাশ্মীরের ফল উত্পাদনের উপর প্রভাব ফেলত। এতে ফলের গুণমানও খারাপ হত।
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, টানা বৃষ্টি না হওয়ায় কাশ্মীরের বেশিরভাগ জলের উত্স শুকিয়ে গিয়েছে। তুষারপাতের ফলে ওই জলের উত্সগুলি, বিশেষ করে ঝর্নাগুলি ফের জলে ভরে যাবে। বাসিন্দাদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জল ও বিদ্যুত্ সরবরাহ নিশ্চিত হবে।’
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, টানা বৃষ্টি না হওয়ায় কাশ্মীরের বেশিরভাগ জলের উত্স শুকিয়ে গিয়েছে। তুষারপাতের ফলে ওই জলের উত্সগুলি, বিশেষ করে ঝর্নাগুলি ফের জলে ভরে যাবে। বাসিন্দাদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জল ও বিদ্যুত্ সরবরাহ নিশ্চিত হবে।’



