সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: ভারত থেকে বোল্ডার আমদানি দ্রুত চালু হোক। এবার বাংলাদেশের নাম করে এই দাবি উঠল। ভারত থেকে বোল্ডার আমদানি বন্ধ করে রাখার পিছনে সিন্ডিকেট তৈরির উদ্দ্যেশ্য থাকতে পারেও বলে আশঙ্কা করে অনেকে সমাজিক মাধ্যমে মত প্রকাশ করেছেন। রবিবার এই ধরনের একাধিক ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট পৌঁছয় চ্যাংরাবান্ধা স্থল বন্দরে। যা নিয়ে দিনভর গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও ভারতীয় ব্যবসায়ীরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বোল্ডার আমদানি বন্ধ করে রেখেছেন। তাই এক্ষেত্রে তাদের কিছু বলার নেই। কেউ বোল্ডার রপ্তানি করতে চাইলে করতে পারেন বলেও দাবি করেছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
বাংলাদেশের যেসব ফেসবুক পোস্ট এদিন এপারে ভাইরাল হয়েছে, সেখানে তারা উল্লেখ করেছেন চ্যাংরাবান্ধা স্থল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশের বুড়িমারি স্থল বন্দরে আটদিন ধরে বোল্ডার রপ্তানি বন্ধ থাকায় তাদের দেশের কয়েক হাজার শ্রমিকের রুটি রুজি বন্ধ হয়ে রয়েছে। ওই শ্রমিকরা এই বোল্ডার লোড আনলোডের কাজের উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের গোলাম আজম নামক জনৈক ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টে পাটগ্রাম ছাত্র প্রতিনিধির নাম করে এনিয়ে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, শ্রমিকদের পরিবারের চুলা আর একদিন বন্ধ থাকলে ছাত্র সমাজ চুপ করে থাকবে না। সিন্টু হাসান নামে আর একজন সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, বুড়িমারি স্থলবন্দরে পাথর আমদানি অব্যাহত রাখুন। সিন্ডিকেটের হাতে চলে গেলে এই স্থলবন্দর বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে ছোট ছোট সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। বড় বড় ব্যবসায়ীরা অন্যপথ দিয়ে ঠিকই বাণিজ্য করবেন।
যদিও, বোল্ডার রপ্তানি বন্ধ থাকলেও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে পচনশীল সহ পণ্য আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে চলছে। রবিবার চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশে ৩১টি ট্রাক এবং ভারত থেকে ২ট্রাক পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। তেমনই বাংলাদেশ থেকে ভারতে ২৮ ট্রাক এবং ভুটানে ৪ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে। চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম সরকার জানিয়েছেন, বাংলাদেশের তরফেই বোল্ডার নেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কেউ বোল্ডার রপ্তানি করতে চাইলে করতে পারেন। এক্ষেত্রে সংগঠনের তরফে কোনও সমস্যা নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পোস্ট।
যদিও, বোল্ডার রপ্তানি বন্ধ থাকলেও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে পচনশীল সহ পণ্য আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে চলছে। রবিবার চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশে ৩১টি ট্রাক এবং ভারত থেকে ২ট্রাক পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। তেমনই বাংলাদেশ থেকে ভারতে ২৮ ট্রাক এবং ভুটানে ৪ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে। চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম সরকার জানিয়েছেন, বাংলাদেশের তরফেই বোল্ডার নেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কেউ বোল্ডার রপ্তানি করতে চাইলে করতে পারেন। এক্ষেত্রে সংগঠনের তরফে কোনও সমস্যা নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পোস্ট।



