ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রাক্কালে ভারতীয় পণ্যে আমদানি শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। এবার ভারতে ভোটদানে উৎসাহ দিতে বরাদ্দ বিপুল অর্থও বন্ধ করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি দক্ষতা বিষয়ক দপ্তরের (ডোজ) মাথায় তাঁর ঘনিষ্ঠ ধনকুবের এলন মাস্ককে বসিয়েছেন ট্রাম্প। রবিবার মাস্কের সেই দপ্তরই ঘোষণা করেছে, ভারতে ভোটদানের হার বাড়াতে বরাদ্দ ২ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলারের অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সামনে আসতেই ভারতে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ‘ভিনদেশি হস্তক্ষেপ’ বলে তোপ দেগেছে বিজেপি। কাঠগড়ায় তুলেছে পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে।
Advertisement
‘কনসর্টিয়াম ফর ইলেকশন অ্যান্ড পলিটিক্যাল প্রসেস স্টেনদেনিং’ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বজুড়ে ৪৮ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার খরচ করে আমেরিকা। তারই অধীনে পূর্বতন জো বাইডেন প্রশাসন ভারতের জন্য ২ কোটি ১০ লক্ষ ডলার বরাদ্দ করেছিল। দ্বিতীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সেই অর্থই বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল। মাস্কের নেতৃত্বাধীন দপ্তরের বক্তব্য, মার্কিন করদাতাদের অর্থ এইভাবে অন্য দেশের রাজনৈতিক গতিবিধিতে অপচয়ে আর আগ্রহী নয় ওয়াশিংটন। কোন কোন দেশের জন্য বরাদ্দ কত অর্থ বন্ধ করা হচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তার তালিকাও প্রকাশ করেছে মাস্কের নেতৃত্বাধীন ‘ডোজ’।
যা নিয়ে ভারতে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনীতি। বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ভারতে ভোটদানে উৎসাহ দিতে ২ কোটি ১০ লক্ষ ডলার? ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এটা নিশ্চিতভাবেই বাইরের হস্তক্ষেপ। এর ফলে কার লাভ হয়েছে? নিশ্চিতভাবেই শাসকদলের নয়।’ এর রেশ ধরে মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কংগ্রেসের যোগসূত্রের অভিযোগে ফের সরব হয়েছেন তিনি। মালব্যের তোপ, ‘ভারতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও একবার কংগ্রেস তথা গান্ধীদের ঘনিষ্ট বলে পরিচিত জর্জ সোরোসের ছায়া।’ ২০১২ সালে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও সোরোসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের যোগ থাকা দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মউকে নিশানা বানিয়েছেন মালব্য। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের নেতৃত্বে পূর্বতন ইউপিএ সরকার ধারাবাহিকভাবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিদেশি শক্তিগুলির অনপ্রবেশ ঘটিয়েছিল। যে শক্তিগুলি সব ক্ষেত্রেই ভারতকে দুর্বল করতে চায়, তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই কাজ করা হয়েছিল।
যা নিয়ে ভারতে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনীতি। বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ভারতে ভোটদানে উৎসাহ দিতে ২ কোটি ১০ লক্ষ ডলার? ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এটা নিশ্চিতভাবেই বাইরের হস্তক্ষেপ। এর ফলে কার লাভ হয়েছে? নিশ্চিতভাবেই শাসকদলের নয়।’ এর রেশ ধরে মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কংগ্রেসের যোগসূত্রের অভিযোগে ফের সরব হয়েছেন তিনি। মালব্যের তোপ, ‘ভারতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও একবার কংগ্রেস তথা গান্ধীদের ঘনিষ্ট বলে পরিচিত জর্জ সোরোসের ছায়া।’ ২০১২ সালে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও সোরোসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের যোগ থাকা দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মউকে নিশানা বানিয়েছেন মালব্য। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের নেতৃত্বে পূর্বতন ইউপিএ সরকার ধারাবাহিকভাবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিদেশি শক্তিগুলির অনপ্রবেশ ঘটিয়েছিল। যে শক্তিগুলি সব ক্ষেত্রেই ভারতকে দুর্বল করতে চায়, তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই কাজ করা হয়েছিল।



