নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথায় আছে— যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, যিনি চুল বাঁধেন, তিনি ‘চোর’ও ধরেন। হ্যাঁ এমনই জলজ্যান্ত উদাহরণ তৈরি করলেন বেহালা সখেরবাজারের এক গৃহবধূ।
Advertisement
শনিবার সন্ধ্যায় ফাঁকা বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে গৃহবধূর বুদ্ধিমত্ততায় পুলিসের জালে ধরা পড়ল অভিযুক্ত। চুরির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিস। ধৃতের নাম ইসরাইল গাজি ওরফে বাপি গাজি (৩৩)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার উত্তর পৈলান হাটের বাসিন্দা সে। ঘটনাস্থল ছেড়ে বের হতে না পারায় ধৃতের থেকে চুরি যাওয়া যাবতীয় সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিস।
সখেরবাজার ক্রসিং থেকে সরকার হাটের দিকে যাওয়ার রাস্তায় ঘটনাটি ঘটে। রাস্তা থেকে গলি দিয়ে কিছুটা গেলেই বাড়ি সন্ধ্যা মণ্ডলের। তিনি ও তাঁর স্বামী থাকেন বাড়িতে। তাঁর স্বামীর রাস্তার মোড়ে একটি মুদির দোকান রয়েছে। বাড়ি থেকে দূরত্ব হাঁটা পথে প্রায় মিনিট দশেক। প্রতি সন্ধ্যায় স্বামীকে সাহায্য করতে ওই দোকানে বসেন গৃহবধূ। শনি ও রবিবার বেচাকেনা বেশি হওয়ায় ফিরতে অন্যান্য দিনের তুলনায় খানিকটা দেরি হয়। শনিবার রাত ন’টা নাগাদ বাড়ি ফেরেন তিনি। একতলা বাড়ি। যাওয়ার সময় বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে গিয়েছিলেন গৃহকর্ত্রী। ফেরার সময় দেখেন সেই তালা গায়েব। সন্দেহ হয় তৎক্ষণাৎ। বাইরে থেকেই জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরে উঁকি দিতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় তাঁর।
পরনে হলুদ জামা, তার উপরে কালো জ্যাকেট। অপরিচিত এক যুবক ঘুরে বেড়াচ্ছে তাঁরই শোওয়ার ঘরে। আলমারি খোলা, সেখান থেকে একের পর এক গয়না নিজের ব্যাগে পুরে ফেলছে জ্যাকেটধারী। চিৎকার, চেঁচামেচি করে লোক জড়ো করার পথে হাঁটেননি মহিলা। দ্রুত বুদ্ধি খেলিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে যান। তাঁর কাছে একটি তালা ধার চান। আশ্চর্য হয়ে পড়শি মহিলা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন। ‘তালা দিয়ে কী হবে?’ সন্ধ্যা জানিয়ে দেন— ‘দেখুনই না কী হয়, চোর ধরব আজ। তারপর পুলিস আসবে।’ জবাব শুনে তাজ্জব বনে যান পড়শি। তাঁর কাছ থেকে তালা এনে নিজের বাড়ির দরজায় লাগিয়ে দেন সন্ধ্যা। ব্যস, তাতেই কেল্লা ফতে! পুলিসে খবর দেন গৃহবধূ। ততক্ষণে ‘বন্দিদশা’ টের পেয়েছে দুষ্কৃতী। ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, প্রায় মাসখানেক ধরে এই বাড়িটিকে টার্গেট করেছিল অভিযুক্ত। সন্ধ্যায় বাড়িতে কেউ থাকেন না, তা জানত বাপি। সেই মোতাবেক সে চুরির ছক কষেছিল।
সখেরবাজার ক্রসিং থেকে সরকার হাটের দিকে যাওয়ার রাস্তায় ঘটনাটি ঘটে। রাস্তা থেকে গলি দিয়ে কিছুটা গেলেই বাড়ি সন্ধ্যা মণ্ডলের। তিনি ও তাঁর স্বামী থাকেন বাড়িতে। তাঁর স্বামীর রাস্তার মোড়ে একটি মুদির দোকান রয়েছে। বাড়ি থেকে দূরত্ব হাঁটা পথে প্রায় মিনিট দশেক। প্রতি সন্ধ্যায় স্বামীকে সাহায্য করতে ওই দোকানে বসেন গৃহবধূ। শনি ও রবিবার বেচাকেনা বেশি হওয়ায় ফিরতে অন্যান্য দিনের তুলনায় খানিকটা দেরি হয়। শনিবার রাত ন’টা নাগাদ বাড়ি ফেরেন তিনি। একতলা বাড়ি। যাওয়ার সময় বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে গিয়েছিলেন গৃহকর্ত্রী। ফেরার সময় দেখেন সেই তালা গায়েব। সন্দেহ হয় তৎক্ষণাৎ। বাইরে থেকেই জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরে উঁকি দিতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় তাঁর।
পরনে হলুদ জামা, তার উপরে কালো জ্যাকেট। অপরিচিত এক যুবক ঘুরে বেড়াচ্ছে তাঁরই শোওয়ার ঘরে। আলমারি খোলা, সেখান থেকে একের পর এক গয়না নিজের ব্যাগে পুরে ফেলছে জ্যাকেটধারী। চিৎকার, চেঁচামেচি করে লোক জড়ো করার পথে হাঁটেননি মহিলা। দ্রুত বুদ্ধি খেলিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে যান। তাঁর কাছে একটি তালা ধার চান। আশ্চর্য হয়ে পড়শি মহিলা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন। ‘তালা দিয়ে কী হবে?’ সন্ধ্যা জানিয়ে দেন— ‘দেখুনই না কী হয়, চোর ধরব আজ। তারপর পুলিস আসবে।’ জবাব শুনে তাজ্জব বনে যান পড়শি। তাঁর কাছ থেকে তালা এনে নিজের বাড়ির দরজায় লাগিয়ে দেন সন্ধ্যা। ব্যস, তাতেই কেল্লা ফতে! পুলিসে খবর দেন গৃহবধূ। ততক্ষণে ‘বন্দিদশা’ টের পেয়েছে দুষ্কৃতী। ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, প্রায় মাসখানেক ধরে এই বাড়িটিকে টার্গেট করেছিল অভিযুক্ত। সন্ধ্যায় বাড়িতে কেউ থাকেন না, তা জানত বাপি। সেই মোতাবেক সে চুরির ছক কষেছিল।



