Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভরদুপুরে বাইপাসে পুলিস সার্জেন্ট সেজে সোনার চেন কেপমারি, কসবা থানায় অভিযোগ আয়কর কর্মীর

ভরদুপুরে বাইপাসে পুলিস সার্জেন্ট সেজে সোনার চেন কেপমারি, কসবা থানায় অভিযোগ আয়কর কর্মীর
  • ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভরদুপুরে পুলিস অফিসার সেজে কেপমারির অভিযোগ উঠল ইএম বাইপাসে। বুধবার কসবা থানা এলাকার টেগর পার্ক ও বাইপাস ক্রসিংয়ে ঘটনাটি ঘটে। আয়কর দপ্তরের এক কর্মীর কাছ থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকার সোনার চেন হাতিয়ে নেয় পুলিসবেশী দুই দুষ্কৃতী। ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও অভিযুক্তরা ফেরার। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, বুধবার দুপুরে টেগর পার্ক ক্রসিংয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন আয়কর দপ্তরের ওই কর্মী। গলায় ছিল সোনার চেন। সেই সময় বাইকে চেপে আসে দুই হোমরাচোমরা ব্যক্তি। বাইকে লেখা পুলিস। তারা নিজেদের কসবা থানার সার্জেন্ট হিসেবে পরিচয় দেয়। অভিযোগ, আয়কর কর্মীকে তারা বলে, সম্প্রতি দুপুরের দিকে এই এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মহিলার কান থেকে সোনার দুল, গলার চেন ছিনতাই করে বাইকে চেপে পালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। তাই এই এলাকায় গলায় সোনার চেন পরে ঘুরবেন না। পথচারীদের সতর্ক করতেই তারা বাইকে করে টহল দিচ্ছে। এই ভাষাতেই আয়কর দপ্তরের ওই কর্মীকে আশ্বস্ত করে তারা।
ছিনতাই এড়াতে তাহলে উপায় কী? পুলিস পরিচয় দেওয়া ওই দুই দুষ্কৃতী বলে, একটি প্লাস্টিকের ভিতর সোনার চেন ভরে সেটি ব্যাগের ভিতর ঢুকিয়ে নিন। এখানেই হাতের কারসাজি। সোনার চেন খুলতেই সাহায্য করার বাহানায় সেটি হাতিয়ে নেয় দুষ্কৃতীরা। তখনও বুঝতে পারেননি আয়কর দপ্তরের ওই কর্মী। বাড়ি গিয়ে দেখেন প্লাস্টিক ফাঁকা। সোনার চেন উধাও। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় কসবা থানার দ্বারস্থ হন তিনি। লিখিত অভিযোগ করেন থানায়। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে পুলিস। কলকাতা পুলিসের ডেপুটি কমিশনার (সাউথ সাবার্বান ডিভিশন) বিদিশা কলিতা বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। কে বা কারা এর সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ১০-১২টি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা গিয়েছে।    
ভরদুপুরে জনবহুল ই এম বাইপাসের কাছে পুলিস সেজে কেপমারির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, ‘এখানে মাঝেমধ্যেই চুরির ঘটনা ঘটছে। বাইক চেপে এসে প্রায়ই হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে তিলজলার ভিতরের রাস্তায় চম্পট দিচ্ছে দুষ্কৃতীরা। এলাকায় আরও পুলিসি নজরদারির প্রয়োজন।
সম্পর্কিত সংবাদ