নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: ডালখোলার নিশীথপুরে ভেজাল মদের কারবারের নেপথ্যে বিহারের কারবারিরা। ইতিমধ্যে ২ জন বিহারের কারবারিকে গ্রেপ্তার করে তদন্তে নেমেছে আবগারি দপ্তর। স্থানীয় অসাধু কারবারিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভেজাল মদের কারবার ফেঁদে ছিল চক্রীরা। শুধু তাই নয়, আরও এমন গোপন কারখানা থাকার অনুমান আবগারি দপ্তরের। এ নিয়ে ওই এলাকায় পুলিস ও আবগারি দপ্তরের অন্দরে জোর আলোড়ন পড়েছে। আবগারি আধিকারিকরা বলছেন, তদন্তে কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের আরও কোম্পানি আছে কিনা সেটাও খোঁজখবর চলছে। বিহার সীমানা থেকে এক কিমি দূরে ডালখোলার নিশীথপুরে ভেজাল মদের কারখানাটি চলছিল। সেখানেই বৃহস্পতিবার আচমকা হানা দিয়ে আবগারি দপ্তর ৮ জনকে পাকড়াও করে। তার মধ্যে দু’জন বিহারের বলরামপুরের বাসিন্দা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই ভেজাল কারবারের মাতব্বরদের পাকড়াও করতে চায় আবগারি দপ্তর। ওই কারখানা থেকে বাজেয়াপ্ত হয় ভেজাল মদ তৈরির প্রচুর সরঞ্জাম,- কাঁচা স্পিরিট থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডেড কোম্পানির স্টিকার, ছিপি। কোন সংস্থা এইসব সরঞ্জাম তৈরি করছে তারও হদিশ শুরু হয়েছে। বিহারে মদ নিষিদ্ধ হওয়ায় চোরাগোপ্তাভাবে বেশি মুনাফার আশায় অসাধু মদ কারবারিরা বিহার লাগোয়া গ্রামাঞ্চলে ভেজাল মদ তৈরির ছক কষে।
Advertisement
এর আগে জলপাইগুড়িতেও এ ধরনের চক্রের পর্দাফাঁস করেছে আবগারি দপ্তর। সেখানেও বিহারের মদ কারবারিদের যোগ খুঁজে পেয়েছিল আবগারি দপ্তর। সাধারণত এই কারবারিরা বিহার সংলগ্ন বাংলায় বিভিন্ন জায়গায় ঘর বা গোডাউন ভাড়া নেয়।
সেখানে লোকচক্ষুর আড়ালে মদ তৈরির সরঞ্জাম জড়ো করে এবং সেইসব কাঁচামাল মিশিয়ে হুবহু আসলের মতো দেখতে ভেজাল মদ তৈরি করে। শেষে চোরাপথে তা পাচার করা হয় বিহারে। এতে একদিকে যেমন এ রাজ্যের আবগারি দপ্তরের আয়ে প্রভাব পড়ে, তেমনই যে কোনও ভেজাল মদ থেকে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। পুলিস ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ভেজাল কারবারের বাকিদের খোঁজ শুরু করেছে।
সেখানে লোকচক্ষুর আড়ালে মদ তৈরির সরঞ্জাম জড়ো করে এবং সেইসব কাঁচামাল মিশিয়ে হুবহু আসলের মতো দেখতে ভেজাল মদ তৈরি করে। শেষে চোরাপথে তা পাচার করা হয় বিহারে। এতে একদিকে যেমন এ রাজ্যের আবগারি দপ্তরের আয়ে প্রভাব পড়ে, তেমনই যে কোনও ভেজাল মদ থেকে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। পুলিস ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ভেজাল কারবারের বাকিদের খোঁজ শুরু করেছে।



