জম্মু ও নয়াদিল্লি: না আছে এজেন্ডা, না নেতৃত্বের ঠিক-ঠিকানা। বৃহস্পতিবার বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রাসঙ্গিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) নেতা ওমর আবদুল্লা। রাখঢাক না করে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী বললেন, শুধুমাত্র লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোট গড়া হয়ে থাকলে, তা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ঘটনাচক্রে, গত লোকসভা ভোটে দিল্লিতে আপ ও কংগ্রেস আসন সমঝোতা করে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়েছিল। যদিও দিল্লির আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পৃথকভাবে লড়ছে ‘ইন্ডিয়া’র এই দুই শরিক। চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি। আবার বিহারেও বছরের শেষের বিধানসভা ভোটে বিরোধী ঐক্য নিয়ে এখন থেকেই প্রশ্ন উঠছে। একদিন আগে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব মন্তব্য করেছেন, শুধুমাত্র লোকসভা ভোটের জন্য ‘ইন্ডিয়া’ গড়া হয়েছিল। বিরোধী শিবিরের এই সামগ্রিক অনৈক্যের ছবিতেই বীতশ্রদ্ধ ওমর ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরের অস্তিত্ব নিয়েই কার্যত প্রশ্ন তুলে দিলেন।
Advertisement
দিল্লির বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরের ফাটল এখন দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের আশা মুখ থুপড়ে পড়েছে। কংগ্রেস, বিজেপি ও আপের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের মধ্যেই কংগ্রেসকে আরও কোণঠাসা করে আপকে সমর্থন দিচ্ছে সমাজবাদী পার্টি, শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) ও তৃণমূল। দিল্লিতে বিরোধী শিবিরের এই কোন্দলের মধ্যেই এবার বোমা ফাটালেন ‘ইন্ডিয়া’র আরও এক শরিক এনসির নেতা ওমর আবদুল্লা। বিরোধীদের ‘কুস্তি’তে রীতিমতো আক্ষেপের সুর তাঁর গলায়। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘দিল্লির ভোট মিটে যাওয়ার পর সব শরিক দলকে বৈঠকে ডাকা উচিত। এই জোট যদি শুধুমাত্র লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে গড়া হয়ে থাকে, তাহলে তা গুটিয়ে ফেলা উচিত। আমরা পৃথকভাবে কাজ করব। আর যদি বিধানসভা ভোটেও জোট রাখতে হয়, তাহলে আমাদের একত্রে বসতে হবে। একযোগে কাজ করতে হবে।’
বিরোধী জোটের শতচ্ছিন্ন ছবির মধ্যেই গতকাল আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের মন্তব্যে ‘ইন্ডিয়া’র ভবিষ্যৎ নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়। লালু-পুত্রের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই ‘ইন্ডিয়া’ তৈরি হয়েছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল বিজেপিকে হারানো। আগুনে ঘি পড়ে তাঁর দলেরই মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় তেওয়ারির কথায়। একধাপ এগিয়ে এই আরজেডি নেতা বলেন, ‘বিহারে চলতি বছরের শেষে বিধানসভা নির্বাচনে একা লড়ার জন্য তৈরি থাকা উচিত কংগ্রেসের।’ আরজেডি যে পৃথকভাবে লড়ার জন্য তৈরি হচ্ছে, এই মন্তব্যেই তা স্পষ্ট। এই অবস্থায়তেই ‘ইন্ডিয়া’র কার্যকারিতা নিয়ে হতাশা ধরা পড়েছে ওমর আবদুল্লার কথায়। তিনি বলেন, ‘জোটের নেতৃত্ব, এজেন্ডা বা ভবিষ্যৎ রণকৌশল নিয়ে কোনও স্পষ্টতাই নেই। ফলে এই জোট ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। দিল্লি ভোটের পর সব শরিককে বৈঠকে ডাকা উচিত। সেখানে যাবতীয় বিষয় স্পষ্ট হওয়া উচিত।’
বিরোধী জোটের শতচ্ছিন্ন ছবির মধ্যেই গতকাল আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের মন্তব্যে ‘ইন্ডিয়া’র ভবিষ্যৎ নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়। লালু-পুত্রের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই ‘ইন্ডিয়া’ তৈরি হয়েছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল বিজেপিকে হারানো। আগুনে ঘি পড়ে তাঁর দলেরই মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় তেওয়ারির কথায়। একধাপ এগিয়ে এই আরজেডি নেতা বলেন, ‘বিহারে চলতি বছরের শেষে বিধানসভা নির্বাচনে একা লড়ার জন্য তৈরি থাকা উচিত কংগ্রেসের।’ আরজেডি যে পৃথকভাবে লড়ার জন্য তৈরি হচ্ছে, এই মন্তব্যেই তা স্পষ্ট। এই অবস্থায়তেই ‘ইন্ডিয়া’র কার্যকারিতা নিয়ে হতাশা ধরা পড়েছে ওমর আবদুল্লার কথায়। তিনি বলেন, ‘জোটের নেতৃত্ব, এজেন্ডা বা ভবিষ্যৎ রণকৌশল নিয়ে কোনও স্পষ্টতাই নেই। ফলে এই জোট ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। দিল্লি ভোটের পর সব শরিককে বৈঠকে ডাকা উচিত। সেখানে যাবতীয় বিষয় স্পষ্ট হওয়া উচিত।’



