নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: অট্টালিকার মতো বাড়ি। ইলেক্ট্রিক বোতাম টিপলেই খুলে যায় গেট। ভূপতিনগর থানার জুখিয়া পঞ্চায়েতের ইক্ষুপত্রিকা গ্রামের এমনই এক বিত্তশালী মুক্তিপদ পাত্র হুকিংয়ের ঘটনায় পুলিসের হাতে ধরা পড়লেন। মুক্তিপদবাবু একসময় সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। ছেলে পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। বুধবার রাতে তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ভূপতিনগর থানার পুলিস। বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগে ৬০বছর বয়সি মুক্তিপদবাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে তমলুকে বিশেষ আদালতে তোলা হয়। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার নির্ধারিত জরিমানা মিটিয়ে তিনি জামিন পান।
Advertisement
২০১৮সালে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা ইক্ষুপত্রিকা গ্রামের মুক্তিপদবাবু ও মাধাখালি গ্রামের মৃগাঙ্ক মৌলিভুঁইয়ার বাড়িতে হানা দিয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে হুকিং করে বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। হুকিংয়ের জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়। ওই ঘটনায় মাধাখালির স্টেশন ম্যানেজার ভূপতিনগর থানায় এফআইআর করেন। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য করা হয়। তাঁরা দু’জনে সেই জরিমানার টাকা মেটাননি। ওই কেসে দু’জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। কোর্টের পরোয়ানার কপি হাতে নিয়ে বুধবার গভীর রাতে মুক্তিপদবাবুর বাড়িতে হানা দেয় পুলিস। তাঁর বাড়ি দেখে পুলিস অফিসাররা চমকে যান। অট্টালিকার মতো বাড়ি। বাড়ির মেন গেট খোলার জন্য প্রাক্তন ওই সেনাকর্মী ইলেক্ট্রিক বোতাম ব্যবহার করেন। মাঝরাতে ঘুম থেকে তুলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
মুক্তিপদকে গ্রেপ্তারের পর পুলিস মাধাখালি গ্রামে মৃগাঙ্ক মৌলিভুঁইয়ার বাড়িতে হানা দেয়। পরোয়ানা জারি হওয়ায় ওই ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে দু’জনকে থানায় আনার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের তমলুকের স্পেশাল কোর্টে পাঠানো হয়। সেখানে দু’জনই জামিন পান। বিত্তশালীদের একাংশের মধ্যেও বিদ্যুৎ চুরির প্রবণতা রয়েছে।
এর আগে তমলুক শহরে মানিকতলায় হুকিং করে এসি, ফ্রিজ চালানোর ঘটনায় এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে বণ্টন সংস্থার পক্ষ থেকে এফআইআর করা হয়। ময়নার গোড়ামহালে বণ্টন সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে হুকিংয়ের অভিযোগে এফআইআর হয়েছিল।
হুকিংয়ের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরে লাগাতার অভিযান চলছে। তারপরও এই বেআইনি কাজ বন্ধ হচ্ছে না।
এগরা, পটাশপুর, ভগবানপুর, কাঁথি সহ জেলার নানা প্রান্তে হুকিংয়ের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান চলছে। এফআইআরের পাশাপাশি লোড অনুযায়ী ফাইন আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু, এই বেআইনি কাজে রাশ টানা যাচ্ছে না। ভূপতিনগর থানার ওসি শেখ মহম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছিল। পরোয়ানা জারি হতেই ইক্ষুপত্রিকা গ্রাম থেকে মুক্তিপদ পাত্র ও মাধাখালি থেকে মৃগাঙ্ক মৌলিভুঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মুক্তিপদকে গ্রেপ্তারের পর পুলিস মাধাখালি গ্রামে মৃগাঙ্ক মৌলিভুঁইয়ার বাড়িতে হানা দেয়। পরোয়ানা জারি হওয়ায় ওই ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে দু’জনকে থানায় আনার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের তমলুকের স্পেশাল কোর্টে পাঠানো হয়। সেখানে দু’জনই জামিন পান। বিত্তশালীদের একাংশের মধ্যেও বিদ্যুৎ চুরির প্রবণতা রয়েছে।
এর আগে তমলুক শহরে মানিকতলায় হুকিং করে এসি, ফ্রিজ চালানোর ঘটনায় এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে বণ্টন সংস্থার পক্ষ থেকে এফআইআর করা হয়। ময়নার গোড়ামহালে বণ্টন সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে হুকিংয়ের অভিযোগে এফআইআর হয়েছিল।
হুকিংয়ের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরে লাগাতার অভিযান চলছে। তারপরও এই বেআইনি কাজ বন্ধ হচ্ছে না।
এগরা, পটাশপুর, ভগবানপুর, কাঁথি সহ জেলার নানা প্রান্তে হুকিংয়ের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান চলছে। এফআইআরের পাশাপাশি লোড অনুযায়ী ফাইন আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু, এই বেআইনি কাজে রাশ টানা যাচ্ছে না। ভূপতিনগর থানার ওসি শেখ মহম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছিল। পরোয়ানা জারি হতেই ইক্ষুপত্রিকা গ্রাম থেকে মুক্তিপদ পাত্র ও মাধাখালি থেকে মৃগাঙ্ক মৌলিভুঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।



