সংবাদদাতা, লালবাগ: ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে লালগোলার দু’জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবরে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার পাটনায় মৃত্যু হয় রাইহান আলির(৫০)। চেন্নাইয়ে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় মিঠুন শেখের(৩০)।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহ খানেক আগে পাইপলাইনের কাজে পাটনা গিয়েছিলেন লালগোলা থানার আয়েরমারি পঞ্চায়েতের বাতাপাড়ার বাসিন্দা রাইহান আলি। সোমবার প্রায় সাত মিটার গর্ত থেকে ঝুড়িতে করে মাটি তোলার সময় নীচে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। প্রত্যক্ষদর্শী নূরসেলিম শেখ বলেন, হেলমেট পরেই তিনি নীচ থেকে মাথায় করে মাটি উপরে তুলছিলেন। চোখের সামনে কীভাবে নীচে পড়ে গেলেন বুঝতে পারিনি। ওই নীচের অংশে ছিল লোহার শক্ত ঢালাই। তাতেই মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মাস দু’য়েক আগে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে চেন্নাইয়ে গিয়েছিলেন একই থানার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিঠুন শেখ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনতলার একটি ফ্ল্যাটে কাজ করার সময় নীচে পড়ে যান মিঠুনবাবু। তাঁরও মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। বাবা, মা, ছয় বোন, স্ত্রী এবং তিন বছরের সন্তান নিয়ে তাঁর বড় সংসার। তাঁর জামাইবাবু সাদিকুল ইসলাম বলেন, বড় সংসার চালাতে গিয়েই হিমশিম খেতে হতো ওঁকে। তাই কাজ নিয়ে ভিনরাজ্যেই বেশি সময় কাটত ওঁর। এখন সংসারটা রাস্তায় বসল।
মাস দু’য়েক আগে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে চেন্নাইয়ে গিয়েছিলেন একই থানার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিঠুন শেখ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনতলার একটি ফ্ল্যাটে কাজ করার সময় নীচে পড়ে যান মিঠুনবাবু। তাঁরও মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। বাবা, মা, ছয় বোন, স্ত্রী এবং তিন বছরের সন্তান নিয়ে তাঁর বড় সংসার। তাঁর জামাইবাবু সাদিকুল ইসলাম বলেন, বড় সংসার চালাতে গিয়েই হিমশিম খেতে হতো ওঁকে। তাই কাজ নিয়ে ভিনরাজ্যেই বেশি সময় কাটত ওঁর। এখন সংসারটা রাস্তায় বসল।



