নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভিন ধর্মে বিয়ে করতে চান বলে বাধা দিচ্ছেন বাবা-মা। তাই পরিবারের বিরুদ্ধেই নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক তরুণী। কয়েক বছর আগে ঘটনার সূত্রপাত। ভিন ধর্মের এক যুবককে বিয়ে করার জন্য বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন হাওড়ার চণ্ডীতলার বাসিন্দা এক নাবালিকা। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৫ বছর। ওই যুবকের বিরুদ্ধে নাবালিকার পরিবার চণ্ডীতলা থানার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তারপর পকসো ধারায় মামলা রুজু হয় ওই যুবকের বিরুদ্ধে। নাবালিকাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে পুলিস। সে সময় মামলার ভয়ে আত্মগোপন করেছিলেন নাবালিকার সঙ্গী যুবকটি। এরপর ১৮ বছর বয়স পেরতেই সদ্য সাবালক ওই তরুণী সঙ্গীকে বিয়ে করার কথা ঘোষণা করেন। অভিযোগ, এরপর তাঁর বাড়ির লোকজন অত্যাচার শুরু করে। তালা বন্ধ ঘরে আটকে রাখে। এরপর মানসিক অত্যাচার করা হচ্ছে বলে পরিবারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে তাঁর আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় ও বদরুল করিম দাবি করেন, একজন সাবালক হিসেবে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে তরুণীর।



