সংবাদদাতা, বহরমপুর: আলুর দাম বাড়ায় চাষিদের হতাশা কাটতে শুরু করেছে। লাভের আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন তাঁরা। ব্যবসায়ী মহলের দাবি, ভিন রাজ্যের বর্ডার খুলে দেওয়ায় বাংলার আলুর চাহিদা বেড়েছে। চাহিদা বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই আলুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। দাম আরও কিছুটা বাড়বে বলেই ব্যবসায়ীদের দাবি। রবিবার বস্তা প্রতি (৫০ কেজি) আলুর দাম ২০ টাকা বেড়েছে। তবে সোমবার খুচরো বাজারে তার প্রভাব পড়েনি। সোমবার জেলার বিভিন্ন খুচরো বাজারে আলু ১০-১২ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষও স্বস্তিতে রয়েছেন।
Advertisement
এবার জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মুর্শিদাবাদে নতুন আলু উঠতে শুরু করে। ডানার আগে যেসব চাষিরা আলু চাষ করেছিলেন, কেবলমাত্র তাঁরাই আলু চাষ করে খরচের দ্বিগুণ টাকা ঘরে তুলতে পেরেছিলেন। এক সপ্তাহ চাষিরা এক হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা প্রতি প্যাকেটে আলু বিক্রি করেছেন। তারপর থেকেই আলুর দাম তরতর করে নীচে নামতে শুরু করে। গত শনিবার আলুর দাম প্যাকেট প্রতি ৩৪০ টাকায় নেমে এসেছিল। শনিবারই আলু রপ্তানিতে ভিন রাজ্যের বর্ডার খুলে দেওয়া হয়েছে। আলু ব্যবসায়ী সুনীল ঘোষ বলেন, বাংলায় উৎপাদনের ৩০ শতাংশ আলু বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও অসম যায়। এতদিন চার রাজ্যের বর্ডারই বন্ধ ছিল। রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় প্রথম দিনই প্যাকেট প্রতি ২০ টাকা দাম বেড়েছে।
এদিকে আলুর দাম নীচে নামতে শুরু করায় চাষিরা আলু তোলা প্রায় কমিয়ে এনেছিলেন। আলু ব্যবসায়ীরাও চাষিদের কাছ থেকে আলু কেনা কমিয়ে দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার থেকে চাষিরা ফের ব্যাপক হারে আলু তুলতে শুরু করেছেন। বড়ঞা ব্লক এলাকার আলু চাষি উৎপল মাঝি বলেন, আলুর দাম নীচে নামায় আলু তোলা বন্ধ রেখেছিলাম। এখন দাম ও ফলন দুটোই বেড়েছে। তাই বাড়তি লাভে আমরা খুশি।
আলু ব্যবসায়ী মহল সূত্রে খবর, রবিবার রাতে বিহার, ঝাড়খণ্ড সীমান্ত দিয়ে প্রচুর আলু রপ্তানি হওয়ায় আড়তগুলিতে আলুর জের কেটেছে। মঙ্গলবার দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। ডাকবাংলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আশিস ঘোষ বলেন, আলু এই জেলার অন্যতম অর্থকরী ফসল। কাঁচা আলুর দাম কমে যাওয়ায় চাষিরা হতাশায় ভুগছিলেন। দাম বাড়ায় ফের চাষিদের মুখে হাসি ফিরতে শুরু করেছে।
এদিকে আলুর দাম নীচে নামতে শুরু করায় চাষিরা আলু তোলা প্রায় কমিয়ে এনেছিলেন। আলু ব্যবসায়ীরাও চাষিদের কাছ থেকে আলু কেনা কমিয়ে দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার থেকে চাষিরা ফের ব্যাপক হারে আলু তুলতে শুরু করেছেন। বড়ঞা ব্লক এলাকার আলু চাষি উৎপল মাঝি বলেন, আলুর দাম নীচে নামায় আলু তোলা বন্ধ রেখেছিলাম। এখন দাম ও ফলন দুটোই বেড়েছে। তাই বাড়তি লাভে আমরা খুশি।
আলু ব্যবসায়ী মহল সূত্রে খবর, রবিবার রাতে বিহার, ঝাড়খণ্ড সীমান্ত দিয়ে প্রচুর আলু রপ্তানি হওয়ায় আড়তগুলিতে আলুর জের কেটেছে। মঙ্গলবার দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। ডাকবাংলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আশিস ঘোষ বলেন, আলু এই জেলার অন্যতম অর্থকরী ফসল। কাঁচা আলুর দাম কমে যাওয়ায় চাষিরা হতাশায় ভুগছিলেন। দাম বাড়ায় ফের চাষিদের মুখে হাসি ফিরতে শুরু করেছে।



