নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: বয়সে তিন বছরের ছোট ভাগ্নের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন মামি। দু’জনের এই সম্পর্কের কথা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি দুই পরিবারের লোকজন। গত বছর ১১ অক্টোবর দুর্গামণ্ডপ দেখার নাম করে দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন ওই বধূ। তারপরই সন্তান সহ নিখোঁজ। বাড়ির লোকজন কোথাও খুঁজে পাননি। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বধূর ভাগ্নেও নিরুদ্দেশ। তখনই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে চর্চা শুরু হয়। ভূপতিনগর থানার বাসুদেববেড়িয়া গ্রামের ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। বধূর স্বামী এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ভাগ্নের সঙ্গে মামিমার সম্পর্ক নিয়ে দুই পরিবার লোকলজ্জার মধ্যে পড়েন। শুক্রবার শেষমেশ পাঁশকুড়ার একটি ভাড়াবাড়ি থেকে ২৮ বছরের ওই বধূকে সন্তান সহ উদ্ধার করে পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৫ বছরের ভাগ্নেকে। এদিন দু’জনকে কাঁথি এসিজেএম কোর্টে পেশ করে পুলিস। বিচারক ধৃত যুবককে জামিনে মুক্তি দেন। আর ওই গৃহবধূ স্বামীর সঙ্গে বাড়ি ফিরে যান।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসুদেববেড়িয়া গ্রামে ওই বধূর শ্বশুরবাড়ি। স্বামীর একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে। ওই বধূর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ধৃত ভাগ্নের বাড়ি ভগবানপুর থানার শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীকান্তপুর গ্রামে। মামার বাড়িতে ভাগ্নের যাতায়াত ছিল। দুই সন্তানের জননী চুপিসারে ভাগ্নের প্রেমে মজেছেন এটা বাড়ির কেউ টের পাননি। তবে, ভাগ্নের ঘন ঘন মামাবাড়ি আসায় মামার মনে একটা খটকা লেগেছিল। দু’-একবার স্ত্রীকে এনিয়ে জিজ্ঞাসাও করেছেন। কিন্তু, স্বামীর প্রশ্নকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন ওই বধূ।
গত বছরের ১১ অক্টোবর সকালে দুর্গামণ্ডপ দেখতে যাওয়ার নাম করে ছেলেকে কোলে বের হন ওই বধূ। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও বধূ ঘরে না ফেরায় খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। রাতে ভাগ্নের বাড়িতেও খোঁজ খবর নেওয়া হয়। তখনই জানা যায়, ভাগ্নেও বেপাত্তা। সন্তান সহ গৃহবধূর নিখোঁজের ঘটনা থানায় নথিভুক্ত হওয়ার পরই পুলিস তাঁদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। কিন্তু, তাঁদের খালি হাতেই ফিরতে হয়। অবশেষে শুক্রবার পাঁশকুড়ায় তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তারা থাকত। ওই যুবক একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। সেখান থেকে পাওয়া সাম্মানিক দিয়েই সংসার চলত।পুলিস ওই বধূকে উদ্ধার করে ভূপতিনগর থানায় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাঁর পরিবারও সেখানে হাজির হয়। এনিয়ে তাঁর স্বামী প্রশ্ন করলেও নির্বিকার ছিলেন ওই বধূ। ভূপতিনগর থানার ওসি শেখ মহম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, গত অক্টোবর মাসে পুজোর সময় দু’জনে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিল। পাঁশকুড়া থেকে ওই বধূকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত বছরের ১১ অক্টোবর সকালে দুর্গামণ্ডপ দেখতে যাওয়ার নাম করে ছেলেকে কোলে বের হন ওই বধূ। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও বধূ ঘরে না ফেরায় খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। রাতে ভাগ্নের বাড়িতেও খোঁজ খবর নেওয়া হয়। তখনই জানা যায়, ভাগ্নেও বেপাত্তা। সন্তান সহ গৃহবধূর নিখোঁজের ঘটনা থানায় নথিভুক্ত হওয়ার পরই পুলিস তাঁদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। কিন্তু, তাঁদের খালি হাতেই ফিরতে হয়। অবশেষে শুক্রবার পাঁশকুড়ায় তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তারা থাকত। ওই যুবক একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। সেখান থেকে পাওয়া সাম্মানিক দিয়েই সংসার চলত।পুলিস ওই বধূকে উদ্ধার করে ভূপতিনগর থানায় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাঁর পরিবারও সেখানে হাজির হয়। এনিয়ে তাঁর স্বামী প্রশ্ন করলেও নির্বিকার ছিলেন ওই বধূ। ভূপতিনগর থানার ওসি শেখ মহম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, গত অক্টোবর মাসে পুজোর সময় দু’জনে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিল। পাঁশকুড়া থেকে ওই বধূকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।



