নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অবশেষে কাটল জট। এবার আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালের নয়া ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে চলেছে। পুরনোটি ভেঙে এই হাসপাতালের নয়া ভবন তৈরি করা হবে বলে আগেই সরকার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু নতুন ভবন তৈরি করা নিয়ে যে প্ল্যান বা নকশা বানানো হয়, তা নিয়েই জটিলতা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার বদল হয় সেই নকশায়। অবশেষে সপ্তাহখানেক আগে নবান্নে এ বিষয়ে বৈঠকে যাবতীয় জটিলতা দূর হয়। এরপর ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডারও ডাকা হয়েছে।
Advertisement
সাতগাছিয়ার বিধায়ক মোহন নস্কর বলেন, পুরনো প্ল্যানে কিছু বদল হয়েছে। বরাদ্দ টাকাও কিছুটা বেড়েছে। তাই কাজ শুরু করতে একটু দেরি হচ্ছে। তবে সেসব মিটে গিয়েছে বলে শুনেছি। শীঘ্রই এই হাসপাতালের নয়া ভবন নির্মাণ শুরু হয়ে যাবে।
এই হাসপাতালটির উন্নতিকরণে এর খোলনলচে বদলে নতুন, অত্যাধুনিক ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। তার টাকাও বরাদ্দ করে দেয় স্বাস্থ্যদপ্তর। তৈরি করা হয় বিল্ডিং প্ল্যানও। কিন্তু তাতে পার্কিং ও কয়েকটি বিষয় নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ফলে সেই প্ল্যান বাতিল করে আবার নতুন করে একটি প্ল্যান বানানো হয়। কিন্তু সেটা নিয়েও কিছু প্রশ্ন ওঠে। অবশেষে এই জটিলতা কাটাতে হস্তক্ষেপ করে নবান্ন। স্বাস্থ্য, পূর্তদপ্তর সহ সব স্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে নবান্নের বৈঠকে তৃতীয় একটি বিল্ডিং প্ল্যানকে (যার সঙ্গে প্রথম প্ল্যানের অনেকটাই মিল রয়েছে) অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে কাজ শুরু করতে আর সমস্যা রইল না।
এই হাসপাতালের উপর বিষ্ণুপুর, সাতগাছিয়া সহ আশপাশের বহু এলাকার মানুষ নির্ভরশীল। দ্রুত নতুন বিল্ডিং তৈরি হলে আরও অনেক পরিষেবা পাবেন রোগীরা।
এই হাসপাতালটির উন্নতিকরণে এর খোলনলচে বদলে নতুন, অত্যাধুনিক ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। তার টাকাও বরাদ্দ করে দেয় স্বাস্থ্যদপ্তর। তৈরি করা হয় বিল্ডিং প্ল্যানও। কিন্তু তাতে পার্কিং ও কয়েকটি বিষয় নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ফলে সেই প্ল্যান বাতিল করে আবার নতুন করে একটি প্ল্যান বানানো হয়। কিন্তু সেটা নিয়েও কিছু প্রশ্ন ওঠে। অবশেষে এই জটিলতা কাটাতে হস্তক্ষেপ করে নবান্ন। স্বাস্থ্য, পূর্তদপ্তর সহ সব স্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে নবান্নের বৈঠকে তৃতীয় একটি বিল্ডিং প্ল্যানকে (যার সঙ্গে প্রথম প্ল্যানের অনেকটাই মিল রয়েছে) অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে কাজ শুরু করতে আর সমস্যা রইল না।
এই হাসপাতালের উপর বিষ্ণুপুর, সাতগাছিয়া সহ আশপাশের বহু এলাকার মানুষ নির্ভরশীল। দ্রুত নতুন বিল্ডিং তৈরি হলে আরও অনেক পরিষেবা পাবেন রোগীরা।



