সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় শনিবার বাতিল ছিল বহু ট্রেন। দিনভর ব্লক থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হল সাধারণ যাত্রীদের। আচমকা ব্লক ঘোষণা করায় জানতে পারেননি যাত্রীরা। তাঁরা সারাদিন অপেক্ষাই করলেন কাটোয়া স্টেশনে। যাত্রীদের দাবি, অন্তত কয়েকদিন আগে থেকে ব্লক ঘোষণা করলে অন্তত বিড়ম্বনায় পড়তে হত না তাঁদের।
Advertisement
যদিও কাটোয়া স্টেশনের ম্যানেজার অমিত কুমার বলেন, আগে থেকেই ব্লক জানানো হয়েছিল। তাছাড়া রেলের কাজের জন্যই পাওয়ার ব্লক রাখা আছে।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন আজিমগঞ্জ-কাটোয়া শাখায় কাটোয়া থেকে আজিমগঞ্জ যাওয়ার ৮টি, আজিমগঞ্জ থেকে কাটোয়া আসার ৬টি লোকাল বাতিল ছিল। আহমদপুর থেকে কাটোয়া আসার ১টি ট্রেনই বাতিল ছিল। এছাড়াও শিয়ালদহ থেকে জঙ্গিপুর রোড যাওয়ার ট্রেনটি কাটোয়া স্টেশনে আসার পর দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নিমতিতা থেকে কাটোয়া আসার প্যাসেঞ্জার ট্রেনটিকে আজিমগঞ্জেই দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। কাটোয়া থেকে রামপুরহাট যাওয়ার ট্রেনটিকেও আজিমগঞ্জে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। খাগড়াঘাট ও কর্ণসুবর্ণের মাঝে সাবওয়ে কাজের জন্য ব্লক ছিল৷ এদিন দুপুরে সেই কাজ পরিদর্শন করেন হাওড়া ডিভিশনের এডিআরএম।
এদিকে কাটোয়ায় এসে বহু যাত্রী চরম দুর্ভোগের শিকার হন। গালু মাঝি, আতারুল শা বলেন, আমরা খাগড়াঘাট যাব বলে কাটোয়া স্টেশনে এসেছিলাম। আগে থেকে জানতে পারিনি ট্রেন ব্লক ছিল। কিন্তু বর্ধমান স্টেশন থেকে কাটোয়া আসার জন্য এক্কেবারে টিকিট কেটেছিলাম। সেখান থেকে কেন আমাদের টিকিট দেওয়া হল? জানা থাকলে সারাদিন হয়রানির শিকার হতে হতো না। ভুবন মণ্ডল, রেণুকা সর্দার এদিন কর্ণসুবর্ণ যাবেন বলে কাটোয়া স্টেশনে এসে ট্রেন বন্ধের কথা জানতে পারেন। তাঁরা বলেন, এখন বাসে করে বহু যন্ত্রণা সয়ে গন্তব্যে যেতে হবে। মিঠু হাজরা শক্তিপুর যাবেন বলে কাটোয়া স্টেশনে এসে ট্রেন না পেয়ে প্ল্যাটফর্মেই বসেছিলেন সারাদিন। জান মহম্মদ শেখ বলেন, আমি আরামবাগে কাজ করে খাগড়াঘাট বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেন ধরতে এসেছিলাম। রেলের উচিত ছিল আগে থেকে ব্লকের কথা জানানো। তাহলে আজ বাড়ি ফেরার জন্য বের হতাম না।
এদিন বহু মানুষকে দেখা যায় মোটা টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে। রেলের এমন আচমকা সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা। এদিকে রেলের এক অফিসার বলেন, আমরা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের গায়ে বিজ্ঞপ্তি আগেই দিয়েছিলাম। যাত্রীদের হয়রানির জন্য আমরা দুঃখিত।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন আজিমগঞ্জ-কাটোয়া শাখায় কাটোয়া থেকে আজিমগঞ্জ যাওয়ার ৮টি, আজিমগঞ্জ থেকে কাটোয়া আসার ৬টি লোকাল বাতিল ছিল। আহমদপুর থেকে কাটোয়া আসার ১টি ট্রেনই বাতিল ছিল। এছাড়াও শিয়ালদহ থেকে জঙ্গিপুর রোড যাওয়ার ট্রেনটি কাটোয়া স্টেশনে আসার পর দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নিমতিতা থেকে কাটোয়া আসার প্যাসেঞ্জার ট্রেনটিকে আজিমগঞ্জেই দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। কাটোয়া থেকে রামপুরহাট যাওয়ার ট্রেনটিকেও আজিমগঞ্জে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। খাগড়াঘাট ও কর্ণসুবর্ণের মাঝে সাবওয়ে কাজের জন্য ব্লক ছিল৷ এদিন দুপুরে সেই কাজ পরিদর্শন করেন হাওড়া ডিভিশনের এডিআরএম।
এদিকে কাটোয়ায় এসে বহু যাত্রী চরম দুর্ভোগের শিকার হন। গালু মাঝি, আতারুল শা বলেন, আমরা খাগড়াঘাট যাব বলে কাটোয়া স্টেশনে এসেছিলাম। আগে থেকে জানতে পারিনি ট্রেন ব্লক ছিল। কিন্তু বর্ধমান স্টেশন থেকে কাটোয়া আসার জন্য এক্কেবারে টিকিট কেটেছিলাম। সেখান থেকে কেন আমাদের টিকিট দেওয়া হল? জানা থাকলে সারাদিন হয়রানির শিকার হতে হতো না। ভুবন মণ্ডল, রেণুকা সর্দার এদিন কর্ণসুবর্ণ যাবেন বলে কাটোয়া স্টেশনে এসে ট্রেন বন্ধের কথা জানতে পারেন। তাঁরা বলেন, এখন বাসে করে বহু যন্ত্রণা সয়ে গন্তব্যে যেতে হবে। মিঠু হাজরা শক্তিপুর যাবেন বলে কাটোয়া স্টেশনে এসে ট্রেন না পেয়ে প্ল্যাটফর্মেই বসেছিলেন সারাদিন। জান মহম্মদ শেখ বলেন, আমি আরামবাগে কাজ করে খাগড়াঘাট বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেন ধরতে এসেছিলাম। রেলের উচিত ছিল আগে থেকে ব্লকের কথা জানানো। তাহলে আজ বাড়ি ফেরার জন্য বের হতাম না।
এদিন বহু মানুষকে দেখা যায় মোটা টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে। রেলের এমন আচমকা সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা। এদিকে রেলের এক অফিসার বলেন, আমরা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের গায়ে বিজ্ঞপ্তি আগেই দিয়েছিলাম। যাত্রীদের হয়রানির জন্য আমরা দুঃখিত।



