মুম্বই: রুটিন মাফিক অটো চালাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে তিনটে। মুম্বই শহর তখন প্রায় তন্দ্রাচ্ছন্ন। আচমকাই এক মহিলার উদ্বিগ্ন কণ্ঠস্বর, ‘অটো, অটো। থামাও’। বিপদের আশঙ্কা করে ছুটে গেলেন ভজন সিং রানা। দাঁড়ালেন ‘সৎগুরু শরণ’ অভিজাত আবাসনের সামনে। চারিদিকে তখন উদ্বিগ্ন মুখের সারি। কী হয়েছে বুঝে ওঠার আগেই হেঁটে এলেন সাদা কুর্তা পরা এক ব্যক্তি। ধীর পায়ে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে কুর্তাটি। উঠে বসলেন অটোতে। ভজনের চিনতে বাকি রইল না পর্দায় দেখা সইফ আলি খান চেপে বসেছেন তাঁর অটোতে। সঙ্গী ছেলে তৈমুর ও আরও এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছিল, ছেলে ইব্রাহিমই বাবাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু এদিন স্পষ্ট হয়েছে, ঘটনার সময় তিনি ওই বাড়িতে ছিলেন না। সইফের সঙ্গেও হাসপাতালে যাননি।
Advertisement
অটোয় উঠেই সইফ জিজ্ঞাসা করেন, ‘কতক্ষণ লাগবে হাসপাতালে পৌঁছতে?’ দু’কিলোমিটার দূরে লীলাবতী হাসপাতালে পৌঁছতে সময় লেগেছিল আট মিনিট মতো। সইফ নেমে যান অটো থেকে। স্ট্রেচারে নয়, হেঁটেই ঢোকেন হাসপাতালের ভিতরে। ভাড়া নেওয়া হয়নি। সম্ভবও ছিল না তখন। ক্যামেরার সামনে অপ্রস্তুত ভজন বলছিলেন, ‘এত বড় ঘটনা ভাবিনি। পারিবারিক কোনও অশান্তির কারণে এমনটা হয়েছে মনে করেছিলাম। যত দ্রুত সম্ভব পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। উনি সুস্থ হয়ে উঠুন, এটাই কাম্য।’



