নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বুথস্তরে সিপিএমের সংগঠন বলে কিছু যে আর অবশিষ্ট নেই, একের পর এক নির্বাচনের ফলাফলেই তা স্পষ্ট হয়েছে। এবার দলের জেলা সম্মেলনে রীতিমতো সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে এই করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে নিল সিপিএম। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্মেলন। সেখানে সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, কয়েক মাস আগের লোকসভা নির্বাচনে সিপিএম বহু বুথে এজেন্টই দিতে পারেনি। ডায়মন্ডহারবার থেকে জয়নগর, মথুরাপুর এমনকী বাম দুর্গ বলে পরিচিত যাদবপুর—জেলার সর্বত্র চিত্রটা কমবেশি এক। এই অবস্থা থেকে দল কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বা আদৌ পারবে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে লালপার্টির কর্মীদের মধ্যে। তাঁদের একাংশ দাবি করেছে, তৃণমূলের সন্ত্রাস ও গাজোয়ারির অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু বুথে বসানোর জন্য লোক খুঁজে না পাওয়া মোটেও ভালো ইঙ্গিত নয়।
Advertisement
দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য কমিটির দুই সদস্য থাকার পরও কেন এমন হাল দলের, সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে। সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে প্রায় ২০০০ বুথের মধ্যে ৬০০র বেশি বুথে কোনও এজেন্ট ছিল না তাদের। জেলার বাকি তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের তুলনায় যাদবপুরে ভোট বেশি পেয়েছিলেন বাম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য। কিন্তু সেখানেও বুথে বুথে সিপিএমের দৈন্যদশা স্পষ্ট হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যাদবপুরেও শতাধিক বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি সিপিএম।



