সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া : কালীপুজোর ভোগ খাওয়ার জন্য শয়ে শয়ে মানুষ রাত জেগে অপেক্ষা করেন বাগনানের বাঙালপুরে। এই গ্রামের চক্রবর্তী পরিবারের কালীপুজোয় ১০৮ রকমের ভোগ দেওয়া হয়। যার মধ্যে থাকে লাউ চিংড়ি এবং শোল মাছ পোড়া। প্রায় ৪০০ বছরেরও বেশি বয়সের এই পুজো প্রাচীন রীতিনীতি মেনে আজও চলে আসছে। পরিবারের সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী জানান, বহু বহু বছর আগে হালদার পরিবার একটি পুকুর খনন করছিল। কাজের মাঝে মাটি ধসে আবার ভর্তি হয়ে যাচ্ছিল পুকুর। বেশ কয়েকদিন এই ঘটনা ঘটে। কাজে নিযুক্ত শ্রমিকরা ভয়ে পালিয়ে যান। পরে পরিবারের পূর্বপুরুষ প্যারীচাঁদ চক্রবর্তীকে কালী স্বপ্নাদেশ দিয়ে বলেন, আমি এই পুকুরে অবস্থান করছি। আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু কর। এরপর প্যারীচাঁদ ওই রাতেই পুকুরে যান। সেখান থেকে মায়ের মূর্তি খোদাই করা একটি শিলামূর্তি নিয়ে আসেন। পরবর্তী সময়ে শিলামূর্তির আদলে একটি নিমকাঠের কালীমূর্তি বানানো হয়। কালীপুজোর দিন ঠাকুরকে ১০৮ রকমের ভোগ দেওয়ার রীতি। তাতে লাউ চিংড়ি এবং শোলমাছ পোড়া অবশ্যই থাকতে হবে।



