নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: তোলা চাওয়ার মামলায় থানায় এফআইআর হতেই বেপাত্তা বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী। তাঁর খোঁজে বাড়িতে নোটিস লাগিয়েছে পুলিস। ডুয়ার্সের চিলাপাতার জঙ্গলে তাঁর রিসর্টেও পুলিস হানা দিয়েছিল। কিন্তু, সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। খবর ছিল, দীঘার একটি হোটেলে লুকিয়ে রয়েছেন ওই কাউন্সিলার। বৃহস্পতিবার রাতে সেখানেও তল্লাশি চালাল বাগুইআটি থানার পুলিস। সেখানেও তাঁর খোঁজ মেলেনি। কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। দু’জনকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত কাউন্সিলারেরও খোঁজ চলছে।
Advertisement
১৫ ডিসেম্বরের ওই ঘটনায় এখনও থমথমে বাগুইআটির রঘুনাথপুর এলাকা। সেখানে একটি বহুতল নির্মাণ করছেন প্রোমোটার কিশোর হালদার। অভিযোগ, কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী তাঁর কাছে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিলেন। তা না দেওয়ায় ১৫ তারিখ নির্মাণ সাইটে প্রোমোটারকে মারধর করে কাউন্সিলারের লোকজন। রিভলবারের বাট দিয়ে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওইদিনই প্রোমোটার বাগুইআটি থানায় গিয়ে কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন। কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিসের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত কাউন্সিলারের যেমন খোঁজ চলছে, তেমনই আক্রান্ত প্রোমোটারের বাড়িতেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর বাড়ির সামনে পুলিসি টহল শুরু হয়েছে।
কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, এফআইআর দায়ের হওয়ার পর অভিযুক্ত কাউন্সিলারের বাড়িতে দু’বার যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাঁকে সেখানে পাওয়া যায়নি। ১৭ তারিখ তাঁর বাড়িতে নোটিস সাঁটা হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে থানায় হাজির হতে। কিন্তু, ২৪ ঘণ্টার বদলে তিনদিন পার হয়ে গিয়েছে। ডুয়ার্সের চিলাপাতার জঙ্গলে তাঁর একটি রিসর্ট রয়েছে। বুধবার পুলিস সেখানে হানা দিয়েছিল। পুলিসের কাছে একটি সূত্র থেকে খবর আসে, ডুয়ার্স নয়, ওই কাউন্সিলার দীঘার একটি হোটেলে লুকিয়ে রয়েছেন। বাগুইআটি থানার পুলিস সেই ঠিকানায় হানা দেয়। কিন্তু, কাউন্সিলার সেখানেও ছিলেন না। আশপাশের এলাকার আরও কয়েকটি হোটেলে যায় পুলিস। কিন্তু, সেখানে তাঁকে পাওয়া যায়নি। খবর ভুল ছিল? নাকি পুলিস আসার আগেই তিনি সমুদ্র সৈকত ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন? তিনি একা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, নাকি কেউ তাঁকে সাহায্য করছেন, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস।
কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, এফআইআর দায়ের হওয়ার পর অভিযুক্ত কাউন্সিলারের বাড়িতে দু’বার যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাঁকে সেখানে পাওয়া যায়নি। ১৭ তারিখ তাঁর বাড়িতে নোটিস সাঁটা হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে থানায় হাজির হতে। কিন্তু, ২৪ ঘণ্টার বদলে তিনদিন পার হয়ে গিয়েছে। ডুয়ার্সের চিলাপাতার জঙ্গলে তাঁর একটি রিসর্ট রয়েছে। বুধবার পুলিস সেখানে হানা দিয়েছিল। পুলিসের কাছে একটি সূত্র থেকে খবর আসে, ডুয়ার্স নয়, ওই কাউন্সিলার দীঘার একটি হোটেলে লুকিয়ে রয়েছেন। বাগুইআটি থানার পুলিস সেই ঠিকানায় হানা দেয়। কিন্তু, কাউন্সিলার সেখানেও ছিলেন না। আশপাশের এলাকার আরও কয়েকটি হোটেলে যায় পুলিস। কিন্তু, সেখানে তাঁকে পাওয়া যায়নি। খবর ভুল ছিল? নাকি পুলিস আসার আগেই তিনি সমুদ্র সৈকত ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন? তিনি একা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, নাকি কেউ তাঁকে সাহায্য করছেন, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস।



