নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: দুর্গম খরস্রোতা পথ থেকে সমুদ্র উপকূলের ঝঞ্ঝা। এই সমস্ত কিছুকে উপেক্ষা করে বিএসএফের অল উইমেন গঙ্গা রিভার রাফটিং দল দুঃসাহিক যাত্রা শুরু করেছে। লক্ষ্য উত্তরাখণ্ডের গঙ্গোত্রী থেকে এরাজ্যের গঙ্গাসাগর! ইতিমধ্যে ২০ সদস্যের ওই দলটি বিহারের পাটনায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবারই পাটনা থেকে ফারাক্কার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তাঁরা। কলকাতা হয়ে আগামী ২৪ ডিসেম্বর গঙ্গাসাগরে পৌঁছে শেষ হবে অভিযান। ফরাক্কায় ওই দলটি পৌঁছনোর পরই তাঁদের স্বাগত জানাবে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার। ওইসঙ্গে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত একাধিক কর্মসূচি রাখা হয়েছে।
Advertisement
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিএসএফ এবং ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গার পক্ষ থেকে এই অল উইমেন গঙ্গা রিভার রাফটিং দলটি যাত্রা শুরু করেছেন। গত ২ নভেম্বর গঙ্গোত্রী থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। গত ৩ ডিসেম্বর দলটি বিহারের পাটনায় পৌঁছেছে। ৫ ডিসেম্বর পাটনা থেকে ফারাক্কার উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়েছে। মোকামা, মুঙ্গের, ভাগলপুর এবং সাহেবগঞ্জ সহ গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল অতিক্রম করে আগামী ১০ ডিসেম্বর ফারাক্কায় পৌঁছবে। সেখানে জেলা প্রশাসন এবং বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁদের স্বাগত জানাবেন। নারীর ক্ষমতায়ন, গঙ্গা পরিচ্ছন্নতা, নারীর স্বাস্থ্য এবং অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির মতো থিমগুলিতে ফোকাস করে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচিও করা হবে।
এই পুরো অভিযানটি ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। জোন ৬-এর নেতৃত্বে রয়েছে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার। ফারাক্কা থেকেোই দলটি জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, পলাশি, কালনা, ত্রিবেণী হয়ে আগামী ১৮ ডিসেম্বর কলকাতায় পৌঁছবে। কলকাতাতেও নারীর ক্ষমতায়নকে তুলে ধরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর সাগর সংলগ্ন কাকদ্বীপে গিয়ে অভিযান শেষ হবে। ২৪ ডিসেম্বর ডায়মন্ডহারবারে ফ্ল্যাগ-ইন অনুষ্ঠানের পর দলটি কলকাতায় ফিরবে।
এই পুরো অভিযানটি ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। জোন ৬-এর নেতৃত্বে রয়েছে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার। ফারাক্কা থেকেোই দলটি জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, পলাশি, কালনা, ত্রিবেণী হয়ে আগামী ১৮ ডিসেম্বর কলকাতায় পৌঁছবে। কলকাতাতেও নারীর ক্ষমতায়নকে তুলে ধরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর সাগর সংলগ্ন কাকদ্বীপে গিয়ে অভিযান শেষ হবে। ২৪ ডিসেম্বর ডায়মন্ডহারবারে ফ্ল্যাগ-ইন অনুষ্ঠানের পর দলটি কলকাতায় ফিরবে।



