সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুরের মল্লিকপুরে বিএসএফকে খুনের চেষ্টায় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীকে আদালতে তুলল পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ আলাউদ্দিন। তার বাড়ি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায়। গত বুধবার ভোরে গঙ্গারামপুরের সুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মল্লিকপুর সীমান্তে কাঁটাতার কেটে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বাংলাদেশের ৫ থেকে ৬ জনের একটি দুষ্কৃতী দল। বাঁধা দেওয়ায় বিএসএফ জওয়ানের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। আত্মরক্ষায় তিন রাউন্ড গুলি চালায় বিএসএফ।
Advertisement
সকালে সীমান্তে জখম অবস্থায় বাংলাদেশি যুবক ও বিএসএফকে উদ্ধার করে ৯১ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। বুধবার থেকে টানা চারদিন গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল বাংলাদেশি যুবক। রবিবার যুবকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশিকে ছুটি দেয়। বিএসএফ গঙ্গারামপুর থানায় বাংলাদেশির বিরুদ্ধে জওয়ানকে মারধর ও খুনের চেষ্টার মামলা করে। বিএসএফের অভিযোগের ভিত্তিতে গঙ্গারামপুর থানার পুলিস বাংলাদেশিকে রবিবার সন্ধ্যায় হেফাজতে নেয়।
সোমবার সকালে জওয়ানকে মারধর, খুনের চেষ্টা সহ অন্য মামলা রুজু করে আদালতে তোলা তোল। গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের বিচারক ধৃতের ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
বাংলাদেশি কী উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছিল, শুধুই কি চোরাচালানের চেষ্টা নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, মল্লিকপুরে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি দুষ্কৃতী কী উদ্দেশ্যে ভারতে ঢুকেছিল তার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাবে না। এবিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, বাংলাদেশে সরকার নেই। তার কারণে বিজিবি দুষ্কৃতীদের নিয়ে এদিকে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে। সীমান্তে আমাদের জওয়ানরা তৈরি আছেন। সময় মতো জবাব দেওয়া হবে।
সোমবার সকালে জওয়ানকে মারধর, খুনের চেষ্টা সহ অন্য মামলা রুজু করে আদালতে তোলা তোল। গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের বিচারক ধৃতের ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
বাংলাদেশি কী উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছিল, শুধুই কি চোরাচালানের চেষ্টা নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, মল্লিকপুরে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি দুষ্কৃতী কী উদ্দেশ্যে ভারতে ঢুকেছিল তার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাবে না। এবিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, বাংলাদেশে সরকার নেই। তার কারণে বিজিবি দুষ্কৃতীদের নিয়ে এদিকে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে। সীমান্তে আমাদের জওয়ানরা তৈরি আছেন। সময় মতো জবাব দেওয়া হবে।



