নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সরকারি টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল এবং এমটিএনএলের দুর্দশা ইস্যুতে বুধবার লোকসভায় বিবাদে জড়ালেন সরকার ও বিরোধী সাংসদরা। প্রশ্নোত্তর পর্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সরকারের উদ্যোগের ফিরিস্তি দিলেও তা ডাঁহা মিথ্যে বলেই পাল্টা তোপ দাগলেন তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, উদ্ধবপন্থী শিবসেনার সাংসদ অরবিন্দ সাওন্ত। ট্রেজারি বেঞ্চকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তাঁরা বললেন, ‘সাহস থাকলে এখানেই হাত তুলে বলুন তো কতজন বিজেপি সাংসদের মোবাইলে ফোনের সিম সরকারি কোম্পানির? কতজন ব্যবহার করেন বিএসএনএল বা এমটিএনএল? ফলে দয়া করে সরকারি টেলিফোন সংস্থার ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অনেক কিছু করেছে কেন্দ্র, এমন মিথ্যে বলবেন না।
Advertisement
আর একথা বলার জন্য বিরোধী এমপিদের সতর্ক করেন স্পিকার ওম বিড়লা। বলেন, ‘এভাবে আপনারা হুমকি দিতে পারেন না। যা প্রশ্ন করার করুন।’ দুই সরকারি টেলিফোন লাইন সরবরাহ সংস্থার অবস্থা কেন খারাপ? কেন কর্মচারীরা ঠিক মতো টাকা পাচ্ছেন না? সরকারের জবাব চায় বিরোধীরা। জ্যোতিরাদিত্যর জবাব, ‘বিএসএনএলে ৫৫ হাজার কর্মী রয়েছেন। তাঁদের সম্মান করে সরকার। তাঁদের দায়িত্ব আমাদের। তাই সরকার সরকারি দুই টেলিফোন সংস্থার ব্যাপারে উদাসীন, এই অভিযোগ ঠিক নয়।’
জ্যোতিরাদিত্য জানিয়েছেন, ২০২০-২১ থেকে বিএসএনএল লাভের মুখ দেখছে। চলতি বছরের জুন-অক্টোবর ৮৭ লক্ষ নতুন গ্রাহক মিলেছে। তবে লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পি চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে এমটিএনএলের কর্মী সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৭০৮ জন। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩০৯। অন্য সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি ফোর জি নেটওয়ার্ক দিতে না পারা, দেনা
আর কর্মীদের বিপুল বেতন এমটিএনএলের এই হালের কারণ বলেই জানিয়েছেন তিনি।
জ্যোতিরাদিত্য জানিয়েছেন, ২০২০-২১ থেকে বিএসএনএল লাভের মুখ দেখছে। চলতি বছরের জুন-অক্টোবর ৮৭ লক্ষ নতুন গ্রাহক মিলেছে। তবে লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পি চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে এমটিএনএলের কর্মী সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৭০৮ জন। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩০৯। অন্য সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি ফোর জি নেটওয়ার্ক দিতে না পারা, দেনা
আর কর্মীদের বিপুল বেতন এমটিএনএলের এই হালের কারণ বলেই জানিয়েছেন তিনি।



