Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬

‘নিষ্ঠা’য় এগিয়ে বাংলার স্কুল শিক্ষকরা,  অনেক পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানের মহারাষ্ট্র

‘নিষ্ঠা’য় এগিয়ে বাংলার স্কুল শিক্ষকরা,  অনেক পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানের মহারাষ্ট্র
  • ২৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পরে কিছুটা দেরিতেই এরাজ্যে শুরু হয়েছিল শিক্ষক প্রশিক্ষণের কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘নিষ্ঠা’। তবে, দেরিতে শুরু করেও দেশের সমস্ত রাজ্যকে কয়েক যোজন পিছনে ফেলে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ। এরাজ্যে যেখানে ১৮ লক্ষ ৮১ হাজার ৭১১টি কোর্সে শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা নাম লিখিয়েছেন, সেখানে দ্বিতীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রে সংখ্যাটা ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৯৮৪। বাকি রাজ্যগুলি আরও অনেক পিছিয়ে।

Advertisement

ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ ফর স্কুল হেডস অ্যান্ড টিচার্স হোলিস্টিক অ্যাডভান্সমেন্টের (সংক্ষেপে ‘নিষ্ঠা’) জন্য নাম নথিভুক্তি শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। তবে, এরাজ্যে সেই অর্ডার জারি হয় নতুন সরকার গঠনের পরে। সমগ্র শিক্ষা মিশনের অধীনে, দীক্ষা পোর্টাল থেকে পরিচালিত হচ্ছে ৫০ ঘণ্টার এই অনলাইন কোর্সটি। বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সফল ভাবে কোর্সে উত্তীর্ণ হওয়ার ৭০ হাজার সার্টিফিকেট বিলি হয়েছে রাজ্যে। সারা দেশের গড় সেখানে মাত্র পাঁচ হাজার। প্রতিদিন যতজন শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক কোর্সে অনলাইন থাকছেন, সেই হিসাবেও শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ। জুনে এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৬ হাজার ৯৭৫ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা মাত্র ১৫,১০৭ জন। জুলাইয়ে এরাজ্যের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা কিছুটা কমে হয়েছে ৯৫,৭০১ জন। আর এমাসে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। তাদের সংখ্যা ১৬,১৪৪ জন।
ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমারেসি (বুনিয়াদি স্তরের অক্ষর ও সংখ্যা জ্ঞান), ফর্মেটিভ অ্যান্ড অ্যাডাপ্টিভ অ্যাসেসমেন্ট অব লার্নিং আউটকামস (শিশুরা কতটা শিখছে, তা মূল্যায়নের আধুনিক পদ্ধতি), প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট পেডাগজি যেমন—খেলাধুলো, শিল্পকলা এবং গল্পবলার দক্ষতাবৃদ্ধির উপর জোর, সাইবার নিরাপত্তা, প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষকদের।
৩১ আগস্ট পর্যন্ত নিষ্ঠায় আবেদনের সুযোগ রয়েছে। আর সার্বিকভাবে কোর্সটি শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর। ফলে, আগামী দিনে রাজ্যের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশাবাদী বিকাশ ভবন। স্কুলশিক্ষায় সরাসরি জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর হচ্ছে। তাই এই ধরনের প্রশিক্ষণ নয়া ব্যবস্থার সঙ্গে সড়োগড়ো হতে শিক্ষকদের আরও বেশি সাহায্য করবে বলে আশাবাদী বিকাশ ভবন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ