Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ধর্মীয় বিভাজন করে বাংলা জয় হবে না, হুঁশিয়ারি অভিষেকের

মুর্শিদাবাদে এসে বিভাজনের রাজনীতি নিয়ে বিজেপিকে বিঁধলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তিনি বলেন, ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে বঙ্গ জয় করা যায়নি, যাবেও না।

ধর্মীয় বিভাজন করে বাংলা জয় হবে না, হুঁশিয়ারি অভিষেকের
  • ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অভিষেক পাল, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদে এসে বিভাজনের রাজনীতি নিয়ে বিজেপিকে বিঁধলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তিনি বলেন, ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে বঙ্গ জয় করা যায়নি, যাবেও না। যে মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গাল দিচ্ছেন, কে বানিয়েছে? হিন্দু না মুসলমান? এ প্রসঙ্গে তিনি বেশ কয়েকটি উদাহরণ দেন। পাশাপাশি প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরীকেও একহাত নেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। অভিষেক বলেন, অধীর চৌধুরী আসলে বিজেপির ডামি প্রার্থী।

Advertisement

বাসস্ট্যান্ড থেকে বহরমপুরের গির্জা মোড় পর্যন্ত রোড শো করেন অভিষেক। সেখানে মহিলা ও যুবদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ইউসুফ পাঠান সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও তৃণমূল নেতারা। পরে গির্জামোড়ে গাড়িতে চেপেই অভিষেক মাইকে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিনরাজ্যে আক্রান্ত হচ্ছেন। শুধু বিজেপি শাসিত রাজ্যে নয়, কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটক, তেলেঙ্গানাতেও আক্রান্ত হচ্ছেন। অথচ এনিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য চাইলে তারা সাহায্যও করেনি। নদী ভাঙনে কেন্দ্রীয় সরকার কোনও সাহায্য করে না।

অধীর যে বিজেপির এজেন্ট, তার সপক্ষে অভিষেকের যুক্তি, কোনওভাবেই  উনি বিজেপিকে আক্রমণ করেন না। দু’বেলা সাংবাদিক বৈঠক করে শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগালি করছেন। গরম করলে, বৃষ্টি পড়লে তার জন্যও মমতাকে দায়ী করেন। অথচ বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁর মুখে একটিও কথা নেই।

পাশাপাশি হুমায়ুন কবীরের নাম না করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অভিযোগ, বেলডাঙার হিংসার নেপথ্যে উসকানি উনি দিচ্ছেন। মুর্শিদাবাদের ওই নয়া গদ্দার এখন বিজেপির নতুন এজেন্ট। শীঘ্রই তাঁর আসল স্বরূপ মানুষের সামনে আসবে। একটা গদ্দার অর্থাৎ, বিজেপির ডামি প্রার্থীকে বহরমপুর থেকে বিদায় দিয়েছেন মানুষ। আর একটা গজিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে তার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষকে মানুষের বিরুদ্ধে যারা লেলিয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে এক হতে হবে। আজ বাবরি মসজিদ নিয়ে যে রাজনীতি করছে, ২০১৯ সালে সেই বিজেপির প্রার্থী ছিল। তাহলে বিজেপির সঙ্গে কার যোগাযোগ? তবে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না। আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। শান্ত থাকুন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ