Bartaman Logo
২১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

শীঘ্রই শিল্পে উৎসাহ বৃদ্ধির নীতি আনবে বাংলা: স্বপন

আগামী একমাসের মধ্যে শিল্পের জন্য আর্থিক উৎসাহ প্রদান (ইনসেন্টিভ) সংক্রান্ত নীতি আনতে চলেছে রাজ্য সরকার।

শীঘ্রই শিল্পে উৎসাহ বৃদ্ধির নীতি আনবে বাংলা: স্বপন
  • ২৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী একমাসের মধ্যে শিল্পের জন্য আর্থিক উৎসাহ প্রদান (ইনসেন্টিভ) সংক্রান্ত নীতি আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। পাশাপাশি তিনি শিল্পমহলের কাছে আরজি জানিয়েছেন, রাজ্যে পরিবর্তনের মাধ্যমে যে সুসময় এসেছে, তার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হোন উদ্যোগপতিরাই। 

Advertisement

বাম ও তৃণমূল শাসনকে ইঙ্গিত করে এদিন স্বপনবাবু বলেন, একটানা ৫০ বছর নষ্ট হয়ে যাওয়া যেকোনো রাজ্যের ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর। বাংলা এখন বৃদ্ধাশ্রম হয়ে গিয়েছে। সবাই কাজের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। আমাদের এখানে তাই শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এরাজ্যে শিল্পপতিদের নিয়ে আলোচনা বা সম্মেলন হতেই পারে। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। এখানকার শিল্পপতিরা যদি দেশের অন্যত্র বা বিদেশে এরাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিস্থিতির কথা প্রচার করেন, তাঁরাই যদি গর্বিত দূত হিসাবে নিজেদের তুলে ধরেন, তা রাজ্যের জন্য ভালো। কারণ, রাজ্যের ভালো করার দায়িত্ব শিল্পমহলেরও আছে। এদিন স্বপনবাবু জানান, তাঁরা এক হাজার কোটি বা তার বেশি টাকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আলাদা কিছু সুযোগ দেবেন। প্রশাসনিক ছাড়পত্র থেকে শুরু করে আর্থিক সহায়তার ইঙ্গিত তিনি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত,লগ্নি টানতে একাধিক নীতি আনার কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এর মধ্যে ইনসেন্টিভ পলিসিই সবার আগে আসতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। 
এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সঞ্জীব সান্যাল দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ তথা পূর্ব ভারতের ব্যবসায়িক শহর হিসাবে কলকাতাকে তুলে ধরা জরুরি। তাঁর কথায়, ব্যবসায়িক কাজকর্ম একটি শহর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাওয়া ভালো নয়। সেটি আলাদা আলাদা করে গড়ে ওঠার চেয়ে একটি শহরেই একযোগে হওয়া ভালো। এই প্রসঙ্গে আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, মুম্বই প্রভৃতি কয়েকটি সফল উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। সঞ্জীব সান্যাল বলেন, সর্বত্র কোনো একটি মহানগরকে কেন্দ্র করেই ক্রমশ ব্যবসায়িক পরিধি বেড়েছে। বাংলার ক্ষেত্রে কলকাতা এবং তার আশপাশে বহু বন্ধ কারখানার জমি পড়ে আছে। সেগুলিকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এই সংক্রান্ত পরামর্শ রাজ্যকে তিনি দেবেন বলে জানিয়েছেন সঞ্জীববাবু। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ