Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

সমাপ্তির পথে বেলজিয়ান ফুটবলের সোনালি প্রজন্ম

বেলজিয়াম বিশ্বকাপের শেষ আট থেকে বিদায় নিল। কেভিন ডি’ব্রুইন ও কুর্তোয়ার চোটে দলের হতাশা। ফুটবলের নতুন যুগের শুরু। বিস্তারিত পড়ুন।

সমাপ্তির পথে বেলজিয়ান ফুটবলের সোনালি প্রজন্ম
  • ১২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ফিলিপ ডি’ রাইডার: স্পেনের কাছে লড়েও হার বেলজিয়ামের। বিশ্বকাপের শেষ আট থেকে বিদায়। স্বপ্নের অপমৃত্যু। একইসঙ্গে হয়তো বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের থেমে যাওয়া। বিশ্ব ফুটবলে টিনটিনের দেশের মুখ হয়ে উঠেছিলেন এনজো শিফো। কিন্তু দল হিসাবে সমীহ আদায় করা রবার্তো মার্তিনেজের আমলে। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তিনি একটা মালা গেঁথেছিলেন। কোম্পানি, ফেলাইনি, হ্যাজার্ডরা তাতে মুক্তোর ছড়া। কিন্তু সেই যুগ সমাপ্তির পথে।  চার বছর আগে হ্যাজার্ডের আলবিদা দেখেছে কাতার। অন্যতম সেরা বল প্লেয়ারের কেরিয়ারে চোটই কাঁটা। বাকি ছিল কুর্তোয়া, কেভিন ডি’ব্রুইন, লুকাকুরা। এবার? হয়তো ওদের পালা। কুর্তোয়া এখন ৩৫। পরের বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত। অবসর নিলে রেড ডেভিলস সাম্রজ্যের খিলান ভেঙে পড়বে। সবমিলিয়ে নতুন বাঁকের মুখে দাঁড়িয়ে আমার দেশের ফুটবল।

Advertisement

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট কোনটা? চোটের কারণে কুর্তোয়ার উঠে যাওয়া অন্যতম কারণ। ৬ ফিট ৫ ইঞ্চির গোলরক্ষক নিজের দিনে অন্যতম সেরা। কুর্তোয়ার চোখে জল। ডাগ-আউটে উদাস দৃষ্টি। ফুটবলপ্রেমী হিসাবে এমন দৃশ্য দেখা যন্ত্রণার। কুর্তোয়া থাকলে এত সহজে দ্বিতীয় গোল পেত না স্পেন। পরিবর্ত হিসাবে নামা লামেন্স গ্রিপ করতে ব্যর্থ। ছিটকে আসা বল থেকে জাল কাঁপাতে ভুল করেনি মেরিনো। ওহ লামেন্স! নায়ক হওয়ার সুযোগ ছিল। হয়তো মানসিক চাপ সামলাতে ব্যর্থ তরুণ গোলরক্ষক। এমন মঞ্চে এই ধরনের ভুলের ক্ষমা নেই। তাতেই রুডি গার্সিয়ার সব পরিকল্পনা চৌপাট। কামব্যাকের সময় ছিল না একেবারেই। আসলে ফুটবল দেবতা বেলজিয়ামের পাশে ছিলেন না। কুর্তোয়ার পর কেভিন ডি’ব্রুইনকেও তুলে নিতে বাধ্য হয় থিঙ্কট্যাঙ্ক। আমার অন্যতম পছন্দের ফুটবলার ডি’ব্রুইন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিল বধের অন্যতম নায়ক। সেই ম্যাচে সেলেকাওদের বিরুদ্ধে ওর গোল ভুলব না কখনো। তবে দেখে মনে হয়েছে, চোটে ভুগছে ডি’ব্রুইন।  মোক্ষম সময়ে এই ধাক্কা সামলানো মোটেও সহজ নয়। তাই স্পেনের দ্বিতীয় গোলের পর আরও দিশাহারা দেখায় বেলজিয়ামকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ