Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বড়দিনের হুল্লোরে মাতল বারাসত-বারাকপুর

বড়দিনের হুল্লোরে মাতল বারাসত-বারাকপুর
  • ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা : শীতের পারদ পতন যেন থমকে গিয়েছে বড়দিনের উল্লাসে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে এক দফা উদযাপনের পর বুধবার সকাল থেকেই মানুষ নেমেছে রাস্তায়। পিকনিক, ঘোরাঘুরি, ছুটির আমেজ মেখে নতুন বছরের অপেক্ষা শুরু। বারাসত, বাগদা, বনগাঁ, বসিরহাট, বারাকপুরে একই দৃশ্য। 
Advertisement
মঙ্গলবার রাত থেকেই বারাকপুর জুড়ে উৎসবের মেজাজ। বার্থলোমিও ক্যাথিড্রাল চার্চে বিশেষ প্রার্থনাও হয়। প্রতিটি চার্চ আলোয় সাজানো হয়েছে। সাজানো হয়েছে মঙ্গল পান্ডে পার্ক ও গান্ধী ঘাট। চিড়িয়ামোড়, সংলগ্ন রাস্তা এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকা আলোর মালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। বারাকপুর স্টেশন রোড সাজানো হয়েছে আলোয়। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে বিভিন্ন জায়গায় ভিড় ছিল পিকনিকের। উত্তর শহরতলিতে নানা অনুষ্ঠান ও পিকনিকে মেতে ওঠেন সাধারণ মানুষ। দক্ষিণ দমদমের স্বামী বিবেকানন্দ ক্রীড়াঙ্গনে বড়দের বড়দিন আয়োজন করা হয়। খড়দহে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে দুঃস্থ শিশুদের নিয়ে বড়দিনের পিকনিকের আয়োজন করা হয়। সেখানে ফুচকা, বিরিয়ানি থেকে নানান খানাপিনার আয়োজন করা হয়েছিল। ভিড় উপচে পড়ে বনগাঁর ছয়ঘরিয়া চার্চে। বড়দিন উপলক্ষ্যে মেলা চলছে চার্চ চত্বরে। বাগদার অন্যতম পিকনিক স্পট মঙ্গলগঞ্জের নীলকুঠিতে ছিল ভিড়। ইছামতী নদীর তীরে বহু মানুষ বনভোজনে অংশ নেন। বাগদার বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্যেও এদিন পিকনিক করতে এসেছিলেন অনেকেই। গোপালনগরের বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতি ঘাটেও বহু মানুষ ঘুরতে যান। বনগাঁর সাতভাই কালীতলা মন্দিরে পুজো দেন বহু মানুষ।
মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টি হয়েছে কল্যাণী শহরে। বড়দিনের সকালে শীত ছিল কিছুটা কম। তবে আনন্দে ভাটা পড়েনি। ভিড় জমেছিল কল্যাণীর লেকপার্ক, পিকনিক গার্ডেন, সেন্ট্রাল পার্ক, নদীর পাড়ে। গয়েশপুর জুবলি পার্ক ও সগুনা চার্চে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। লেক পার্কে প্রায় দু’হাজার মানুষ পিকনিক করতে এসেছিলেন। ভিড় ছিল শহরের নামী রেস্তরাঁয়। 
বারাসত, অশোকনগর, গোবরডাঙা, দেগঙ্গার পিকনিক স্পটগুলিতে দেখা গিয়েছে মানুষের ভিড়। টাকা দিয়ে বিভিন্ন বাগানবাড়িতেও চলে ভূরিভোজের আসর। পার্কে বোটিং থেকে শুরু করে স্বল্প শব্দে মাইক বাজিয়ে চলে খোশ মেজাজে ফূর্তি। বিপত্তি এড়াতে প্রতিটি মোড়ে পুলিসের ব্যবস্থা করা হয়। তবে এবারে ভিড় কমেছে টাকিতে। মনে করা হচ্ছে বাংলাদেশের অশান্তির আঁচেই মানুষ এড়িয়ে গিয়েছেন বিশেষ এই পর্যটন স্থল। 
সম্পর্কিত সংবাদ